কবিতা
সকল পোস্টসমূহ

পিয়াল রায়ের ৫টি কবিতা
রক্তারক্তি অগ্নিকাণ্ড খেলে যারা চলে গেছে আলো পরবর্তী গ্রহে ভালোমনে আজ তাদের ছুটি উদযাপন করো স্মৃতিভঞ্জন হোক

সঙ্গীতা মাইতির দুটি কবিতা
অকালসন্ধ্যা যেন লেগেছে ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে অজস্র নক্ষত্রের চোখ ঝুলে আছে তবু আমরা সেজেছি অন্ধ বাউল

পাপজন্ম
নদী থেকে বয়ে আনি দুঃখ নিঃসঙ্গ স্মার্টজীবন অনুশাসনে জড় করে দ্বিতীয় শৈশব

দূরে যেতে পারিনি
দূরে যেতে পারিনি, তাই এই মানুষ আমি, কতো সহজে নীরবতা হেসে উড়িয়েছি একাই, বুঝে ওঠার বেশ আগে। আর এভাবে দিন-রাত শুধু আড্ডাতে কাটলো,

শুধু একটা ভাষার জন্য
শুধু একটা ভাষার জন্য অচিন ওষ্ঠে অধর রাখা যায় শুধু একটা ভাষার জন্য অজ্ঞাত হাত ছুঁয়ে নিঃশঙ্ক থাকা যায়

আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস
দিনটি একুশে ফেব্রুয়ারী নত মস্তকে প্রাণের আবেগে আজ তাদের স্মরি করি বাঁচাতে সেদিন বাংলা ভাষার মান অকাতরে যারা সঁপে দিয়েছিল প্রাণ

বাঘিনীর ডানা
এই জ্বলন্ত ঘরে আমি আর থাকতে চাই না, অথচ যারা ভালোবাসে আমায়, তারা এই আগুন দেখতে চাইছে না। পথের ধারে একটা বেঞ্চ, ওখানেই সবাই বিশ্রাম করে।

শিশির আজমের ৫টি কবিতা
শস্যের বাজারে গিয়ে খালি হাতে ফিরে আসি চাটবো শুকনো ঠোঁট তার আগে ঘরের দেয়াল ঘেসে তেতো সূর্য খিকখিক হাসে

নাজমুল হোসেন রিফাতের ৪টি কবিতা
ফেসবুকের মেমোরিসের তাড়নায়, আমার নরম-কোমল ঘুম ভেঙে যায়। আজকের দিনটা বিগত দিনে কেটেছে কীভাবে, তাই দ্যাখি যা দ্যাখার অভ্যাস করেছে এ মস্তিষ্ক স্মৃতির অভাবে। স্মৃতির অভাব! আয় হায়! আমার তো ঘুমই ভেঙে যায়— স্মৃতির তাড়নায়।

বেণু সরকারের দুটি কবিতা
আরণ্যক জলধারায় সজীবতা পেয়ে যায় ওরা।বাইসন হাতি হরিণ চিতা আর পাখপাখালির দল--গাছেদের ডেকে কথা বলে নিরন্তর।বন্য মোরগ আর হিংস্র শুয়োর--কেউ বাদ যায় না। আমলকী হরিতকী বহেরা সেগুন শালের সাথেই শিরীষ গামার আর সবুজ চায়ের দেশ,

তৃপ্তি
তুমি যতই কাছে আসো -- ততই সরতে থাকে একটু একটু করে, পাশে বসতে চাওয়াও এক ধরনের বিলাসিতা।

আমিত্বহীন মানব
বহু বছর পর এসেছি পৃথিবীতে, দেখা হয়নি কিছু- ডাইনোসর লুপ্ত হয়েছে;মনুষ্যত্বও!

অভিযোগ
তারপর কি হয়? দু'কদম লজ্জা পায় ইতস্তত রাস্তা খোঁজে বেপাড়ারার এতিম বাচ্চারা

ভুল দিনের কাব্য
এখন কি ফিরে যাব? কোর্ট মোড় পর্যন্ত এসেছি এদিকে আজ রবিবার, পাখি নেই দীনবন্ধুতে নাটক আছে কিনা খতিয়ে দেখা হল না

আবছায়া, যে শহর
যে ধীবর আমাকে পরিশ্রম শিখিয়েছিল, পাথরের খাঁজ থেকে তুলে এনেছিল স্ফীত ও কম্পিত শরীর, তার নগ্নতার প্রতি কোনো অভিযোগ নেই।

ঘূর্ণিবাতাসের কোরাস
নাভির ওপর দিয়ে হেঁটে যায় অদৃশ্য ঘূর্ণিবাতাস— তার পায়ের শব্দে হঠাৎ পিপীলিকার বুক উজাড় হয়, দু’একটা অণু হিম হয়ে পড়ে।

কাঠবিড়ালী জীবন
ফটক পেরিয়ে একটা কাঠবিড়ালী দারুন কৌশলী ঝুলে থাকে সময়ের দড়িতে, তার নিচে ছায়া—

শাহিদ আনোয়ারের দুটি কবিতা
পূর্ণিমার আলোয় ঝলমল এক রহস্য, আকাশ যেন নুয়ে পড়েছে তার কাছে। নক্ষত্ররা কাঁপছে অদ্ভুত উত্তেজনায়, গভীর রাত পুড়ে যাচ্ছে তার তাপে।

এমাঙ্গ আস
জ্বলন্ত জিরাফ আর নাই বিদায়, বিদায় তাকে কালো তুষারের প্রহরা ভেদ করে স্যান্টার স্লেজগাড়ি এদিকেই আসছে এবার মুঠোভরা ক্যান্ডি তার

শীতের সকালে
এই যেমন মাগরিব আর কলমিলতারা একই রেখায় নক করে জানালায়, সেই সাথে কাটা মুণ্ডঅলা ষাড়ের তড়পড়ানি চোখ মনে জাগে কারো, এমনই সমাজ গড়েছো মানুষ বিশ্বাস করে না আর নিজেদেরই বুক ধড়ফড়;

তখন গোধূলি
আমি ও দেবদূত দেবদূত ও আমি হরতন,রুইতন খেলি আমাদের মধ্যে কখনোই আসেন না 'ঈশ্বর' নামের ব্রান্ড

রেড রেইন ১
ওই যে দূরে ওই জায়গাটা যা দেখাও যাচ্ছে না ভালো মত আমি ওখানেই যাচ্ছি আমার সামনে একটা পাহাড় একটা কৌতুহলী গুহা

দেবাশীষ সাহার চারটি কবিতা
প্রতিদিন সকাল-বিকাল ঝাড়পোঁছ ছাই দিয়ে ভিমসাবান দিয়ে ঘস্টে ঘস্টে ঝকঝকে তকতকে রাখতে হয় কাঁচ

আড়াল
প্রেম তবু প্রেম নয়। আড়ালের কাব্য নিয়ে নিজেই লিখেছি কতগুলো মেঘদূত বসন্তদূতের কাছে।