গদ্য
সকল পোস্টসমূহ

Bug out of the bag-Expedition of Mt.Jagatsukh
August 29, 2022 we drove to the Duhangan Weir Site a.k.a Khanaul and started our trek from there. We met the guide, assistant guide and rest of the support team on the previous day, tested the equipment and discussed the further planning. A ride out of Manali is pompy on the street wind,the long site of mountains with pavements soon turning into gravels as views of the Himalayas are ahead coming to foreview.

প্রকৃতির টান ও শহুরে জীবন
পথ চলেছে পথের মতো ।পথিক হাঁটছে ,পথেই কি তবে পাবে পথিক দুদন্ড শান্তি।এমনি এক বিকেলে সূদূরের উদ্দেশ্য ভ্রাম্যমাণ পথিক দাঁড়িয়ে দেখে অসীম রহস্যময় অনন্ত বিস্তারিত জলরাশির মধ্যে আলো আঁধারি খেলা।গঙ্গাবক্ষের এমন সৌন্দর্য মুহূর্তের মধ্যে শহুরে জীবনে ক্লান্ত, ক্ষয়িষ্ণু চলমান পথিক কে টেনে নেয় তার কাছে। শেষ বিকেলের আলোয় ঢাকা সূর্যাস্ত, নদীর কলতান, ভাসমান নৌকা,ছায়া নিবিড় সুশীতল স্নিগ্ধ প্রকৃতির রুপ,বিগত অনাগত কত ভাবনার মধ্যে মনকে গ্ৰাস করে।কি চাইলাম ,কি চেয়েছি কোথায় যাচ্ছি মুহূর্তের মধ্যে নিজের মনের মানুষের সন্ধানে খুঁজে ফেরে পথিক।

ল্যাংস্টন হিউজ (আমেরিকান কবি-লেখক ও সমাজকর্মী)
ল্যাংস্টন হিউজ লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়, পেন্সিল্ভেনিয়ায় পড়শুনা করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্লেম রেনেসাঁসের অন্যতম একজন নেতা। তাঁর কর্মকাল ছিল ১৯২৬ সাল থেকে–১৯৬৪ সাল পর্যন্ত।

শ্রাবণের কাব্য-ধারা
বর্ষার লাবণ্যময় পরিবেশে কবিহৃদয় উদ্বেল হয়ে উঠেছে যুগে-যুগে। মায়াময় অলকাপুরীতে কবিমন বারবার ছুটে গেছে। কালিদাস তাঁর ‘মেঘদূতে’ পর্বতের ওপারে নির্বাসিত শূন্য ও একাকী জীবনে ‘মেঘ’কে দূত করে পাঠিয়েছেন প্রিয়ার কাছে। 'ও মেঘ, জানি আমি জাতকপত্রিকা, ভুবনবিখ্যাত পুষ্কর তোমার নাম জানি তোমার গুণপনা ইচ্ছামতো পারো উড়িতে প্রধান ইন্দ্রের ও মেঘ, প্রিয়া দূরে, তোমার কাছে তাই প্রার্থী- ক্ষতি কী গুণবানে বিফল হই যদি, অধমে গ্লানিময় যাচ্ঞা।' - মেঘদূত (পূর্বমেঘ), অনুবাদ- শক্তি চট্টোপাধ্যায়।

অপরাহ্নের পর
কিছু দুপুর আছে, বিকেলের আগেই শেষ হয়ে যায়। জানালার পাশে বসে টের পাই। রোদটা ধীরে ধীরে দেয়াল বেয়ে ওঠে, তারপর হারিয়ে যায়। ওই সময় কোনো কাজ করতে ইচ্ছা করে না। বই খুলে বসি, দুই পৃষ্ঠা পড়ি, তারপর খেয়াল করি দশ মিনিট ধরে একই লাইনের দিকে তাকায়ে আছি। শব্দগুলো চোখে ঢুকছে, মাথায় ঢুকছে না। অভিমান করেছে ভাষা। অমন সময় শহরের পুরনো জায়গাগুলাতে ফিরতে ভাল লাগে। নতুন ক্যাফে, নতুন রেস্টুরেন্ট, নতুন সাজসজ্জা খুব একটা টানে না। সেই চায়ের দোকানে যাই, যার বেঞ্চিটার একপাশ একটু নিচু। সেই বইয়ের দোকানে ঢুকি, যেখানে মালিক এখনো প্রতিবার জিজ্ঞেস করে, নতুন কবিতার বই লাগবে?

মূল্যবোধের অবক্ষয় ও বর্তমান প্রজন্ম
একটা সময় ছিল, যখন সন্ধ্যার অন্ধকার নামলেই উঠোনে জ্বলে উঠত আলো-প্রদীপ, আর মানুষের ভেতরে জ্বলে উঠত গল্পের আলো। নানি-দিদা-ঠাকুমার কণ্ঠে শোনা নীতিকথা, বাবার শাসনে লুকোনো মমতা, মায়ের চোখে নিঃশব্দ শিক্ষা- এসবই গড়ে তুলত মানুষের ভিত। আজও আলো জ্বলে, কিন্তু তা প্রদীপের নয়- মোবাইলের স্ক্রিনে; আজও শব্দ আছে, কিন্তু তা কথোপকথনের নয়- নোটিফিকেশনের। আলো বেড়েছে, অথচ অন্ধকারও গভীর হয়েছে- এটাই আমাদের সময়ের সবচেয়ে বড় ট্র্যাজেডি।

কবিগুরুর ভ্রমণ এবং একটি ব্যক্তিগত উপলব্ধি
দাঁড়িয়ে আছি। কেউ ডাকেনি। একা একাই উঠে রেডি হয়ে এসে দাঁড়িয়ে আছি। সকাল হচ্ছে চারিদিকে। আলো তার রঙ পাল্টাচ্ছে । নীলচে থেকে হলুদ হয়ে এরপর সে আস্তে আস্তে ফ্যাকাশে হয়ে যাবে।

রবীন্দ্রনাথের 'শান্তিনিকেতন' প্রবন্ধমালা: একটি পর্যালোচনা
উনিশ শতকের শেষভাগ এবং বিশ শতকের প্রথমার্ধে বাঙালির মন ও মননে যে অভূতপূর্ব নবজাগরণের জোয়ার এসেছিল, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার তর্কাতীত কেন্দ্রবিন্দু। কবি, ঔপন্যাসিক, সুরকার ও সমাজ-সংস্কারক হিসেবে তাঁর বহুমুখী প্রতিভার পরিচয় বিশ্বজোড়া হলেও, একজন নিভৃতচারী আধ্যাত্মিক সাধক এবং গভীর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন দার্শনিক হিসেবে তাঁর যে অবিসংবাদিত রূপ রয়েছে, তার শ্রেষ্ঠ ও অন্তরঙ্গ দলিল হলো 'শান্তিনিকেতন' প্রবন্ধমালা। এটি নিছক কোনো প্রথাগত সাহিত্যিক রচনা নয়; বরং এটি হলো কবির অন্তর্জীবনের এক ধারাবাহিক ও স্বতঃস্ফূর্ত আধ্যাত্মিক দিনলিপি, যা উপনিষদের শাশ্বত প্রজ্ঞাকে আধুনিক মানবজীবনের সংকট ও সম্ভাবনার প্রেক্ষাপটে নতুন করে স্থাপন করেছে। দীর্ঘ সাধনায় রবীন্দ্রনাথের দর্শন, জীবনদৃষ্টি এবং সাহিত্যকর্মের গভীরে প্রবেশ করলে প্রতীয়মান হয় যে, তাঁর সমগ্র সৃষ্টির যে বিশাল মহীরুহ, তার শেকড় প্রোথিত রয়েছে এই শান্তিনিকেতনের আধ্যাত্মিক মৃত্তিকায়।

সম্পাদকীয়
দৃশ্য তৈরী হচ্ছে।মোমবাতির মিছিল ক্রমে পরিণত হচ্ছে বড় প্রতিবাদে।ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে।

লোকশিক্ষা প্রসারে লোকসাহিত্যের ভূমিকা
এই প্রসঙ্গে আলোচনা সূত্রে বলা প্রয়োজন যে লোকসাহিত্য কাকে বলে। ১৮৪৬ খ্রীষ্টাব্দে অ্যাথেনিয়াম পত্রিকায় এই শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন জন থমস। জার্মান শব্দ 'VOLKSKUNDE' থেকে 'FOLKLORE' শব্দটি এসেছে। যার মানে হল লোকজ্ঞান। সভ্যতার ধারাবাহিকতা হল folklore।

আর্টিকেল, বাংলা ভাষা প্রতিষ্ঠায় নারীর অবদান
সাম্যের কবি কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন, ' বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর অর্ধেক তার করিয়াছে নারী,অর্ধেক তার নর।' বিশ্বজুড়ে সব মহৎ কাজে নারী-পুরুষ উভয়ের অবদান আছে। ভাষা আন্দোলনেও আছে নারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সমৃদ্ধ ইতিহাস।

সম্পাদকীয়
শীতের ছুটি কাটাতে অনেকে বেরিয়ে পড়েছেন।শীত মুবারক না বলে আমরা কীত্তনের প্রসাদ খেতেও বেরিয়ে পড়তে পারি।বাঙালির ছাপোষা জীবনে শীতও একটা উৎসব।পুলিপিঠে দিয়ে যার শুরুয়াত।

কোচবিহারের রাজ আমলের তাজিয়া এবং উত্তর প্রজন্মের শিল্পী এসরাফ আলি
কোচবিহারে রাজ আমল থেকে হিন্দু ধর্মের রাসযাত্রা উপলক্ষে যেমন রাসচক্র ব্যবহৃত হয়ে আসছে, ঠিক তেমনি ইসলাম ধর্মাবলম্বী মানুষদের মহরমে তাজিয়া তৈরির রীতিও রাজ আমল থেকেই পালিত হচ্ছে। মহরমের তাজিয়ার সৃষ্টি রাসচক্রেরও পূর্বে।

নীলাব্জ: অসমাপ্ত কবিতার মতো বিদায়
নীলাব্জ চক্রবর্তীর সেই পোস্ট— “হাসপাতাল চললাম। সম্ভবতঃ সামান্য কয়েক রাত। জীবনে এই প্রথম। ফলতঃ একটু নার্ভাস। প্রসঙ্গ, লিভার। জানানো হল। বেশী উদ্বিগ্ন হবেন না। আবার হতেও পারেন। যা ইচ্ছা।” (২০-০৯-২৫)

প্যারাডক্স
দরজা বন্ধ করে সিঁড়ি দিয়ে নামতে নামতে হঠাৎ মনে পড়ল কিছুটা আগুন বুকপকেটে নিয়ে বেরোনো উচিত ছিল, এখন তবে থাক পেছনে ফিরে খুব একটা লাভবান কেউ কখনো হয়নি, খোলা হয়নি মশারির দড়ি,

অনলাইন আসক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানবতার সংকট
২১শ শতাব্দীর মানুষ যেন এক অদ্ভুত দ্বৈতজগতে বাস করছে- একদিকে প্রযুক্তির বিস্ময়, অন্যদিকে মানবতার নিঃশব্দ মৃত্যু। আমরা আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত, তবুও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি একা। চোখে স্ক্রিনের আলো, কানে নোটিফিকেশনের শব্দ, কিন্তু মনে নিঃসঙ্গতার অন্ধকার।

সম্পাদকীয়
সময় বয়ে চলেছে, আমরাও চলেছি । তবে সভ্যতার দিকে নয় সভ্যতা থেকে দূরে, আমাদের অন্তিম কালের মৃত্যু শয্যায়! যে চলা প্রকৃতি থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে নেয়, ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে হারিয়ে যায় যোগসূত্র তাকে আর যাইহোক সভ্যতা বলা যায় না।

সম্পাদকীয়
আবারও একটা কঠিন সময়ের সন্ধিক্ষণে ভারতবর্ষ। যে তীর্থভূমিতে স্নান করেছে গোটা বিশ্ব, যে তীর্থে বয়ে চলে গঙ্গা-যমুনার করুণা ধারা, যে তীর্থ পৃথিবীকে শিখিয়েছে মানুষের ধর্ম , সেই তীর্থেই একদিন ধর্মের নামেই বয়ে গেল রক্তের ধারা। যদিও এটা প্রথম নয় একদিন এই তীর্থভূমিকেই ধর্মের নামে খন্ডবিখন্ড করে দেওয়া হয়েছিল , চাষ করা হয়েছিল ধর্মের বিষবৃক্ষ। রবীঠাকুর , যিনি তাঁর স্বদেশকে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন শান্তিনিকেতনে, আজ তাঁরই কথা মনে পড়ছে বারবার। রবীন্দ্রনাথের মধ্যে বাস করত একটা গোটা ভারত বর্ষ, আর আমরা সেই ভারতবর্ষের উত্তরসূরি।

মানুষের নৈতিক মূল্যবোধ ও বৃদ্ধাশ্রম
আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যত। দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে এই শিশুরাই। একজন বাবা মায়ের কাছে তার একমাত্র ভবিষ্যত বা স্বপ্ন হলো তার সন্তান। এই সন্তানরা যেন হাসি খুশিতে থাকে সেটাই সকল বাবা-মা তথা গুরুজনদের লক্ষ্য।

অশ্বারোহী জ্বিন
ছোটবেলায় ঘুম থেকে জেগেই মানে চোখ খুলে দেখতাম অন্ধকার কেটে গেছে কিনা।অন্ধকারের আলাদা রকম ছিলো। এখনকার বড় বয়সের মতো নয়।এখন ঘড়ি দেখি।আগে তো আমাদের একটাই ঘড়ি ছিলো।মা'র দূর সম্পর্কের ভাইয়ের মানে মামার কাছ থেকে কেনা।চোখ খুললে প্রথম সন্দেহ হতো বেরোনো যাবে কিনা।মাকে ডিঙিয়ে কি করে বেরোব?আস্তে আস্তে উঠে দরজা খুলে বেরিয়ে পড়ব কি?অত সাহস হতনা।

সম্পাদকীয়
বইমেলা হচ্ছে বাঙালির উৎসবের শেষতম সংযোজন।কত কবিতা কত গল্প কত উপন্যাস পরিপূর্ণতা পেল পাচ্ছে পাবে।আমাদের লেখক শিল্পীদের কত উচ্ছ্বাস কত অপূর্ণতা কাভারে ঢেকে এলো।জেলা বইমেলাগুলো শেষ হওয়ার পরেই শুরুয়াত হয়ে যায় কলকাতা বইমেলার।আন্তর্জাতিক বইমেলাও বটে।লেখক কবি শিল্পী সাহিত্যিক পাঠক এমনকি দেশবিদেশের মানুষরাও শুধু প্রিয়তম শিল্পীকে একবার ছুঁয়ে দেখার জন্যও ঢুঁ মারেন বইমেলায়।তীর্থক্ষেত্র ঘুরে আসার তাগিদ রাজ্যের দেশের মানুষেরা বাঙালির ঘরের টানে বইমেলার টানে ফিরে আসা।

অসুখ ও রোগ নিরাময়
সব সময়।সবদিন।আমার শরীর খারাপ।দিনেও ভালো নেই।রাতে নেই।সেদিন চাঁদ উঠল আকাশে। চাঁদ "রুটি" করে খেলাম।স্ত্রী সাজিয়ে দিল প্লেটে। আস্ত গোটা চাঁদ।খানিক খেতেই সেই শরীর খারাপ।সকলে বলল,ভীষণ গরম।ঠাণ্ডা জল দাও।তার আগেই ঝরঝর বৃষ্টি শুরু হল।ময়লা ধুয়ে সাফ।পিচ রাস্তা ঝকঝকে।ধুলো পথে দাগ নেই।হাঁটা যায় সোজা হয়ে।তবু একই।শরীর নিচ্ছে না।ঘরে সাজানো আছে কতরকম ঔষধ।সকাল দুপুর নিয়ম করে খাই।নানান উপসর্গ।ডাক্তার দেখিয়েও এক।আমার শরীর দিন দিন খারাপ হচ্ছে।নিয়ম করে খারাপ হচ্ছে।

বাংলা বর্ণমালার শুরুতেই 'অ'কেন?
[বাংলা বর্ণমালার ধ্বনি-[=ধ্+ব+ন+ই], অর্থাৎ, [ধ্বনি=সদর্থক-ধারণা-(ধ্)+বাহীর-(ব)+সক্রিয়ণ-(ই) +অনকৃত-(ন) যার ভিতরে]-ধ্বনি, অর্থাৎ, বর্ণ-[=বরিত-(ব)-আবর্ত্তিত-(রেফ)-রহস্যময়ভাবে -অনকৃত-(ণ)]-সমূহের, তথা বর্ণমালার প্রতিবর্ণের লিপ্যন্তরিত রূপের সঙ্গে পরিচিত হতে হলে নিম্নলিখিত দার্শনিক ভাবধারাসমূহের ন্যূনতম ধ্যানধারণা থাকলে ভাল হয়।]

দুর্গাপূজার একক উদ্যোগ থেকে সার্বজনীনতা
দুর্গাপূজা বাংলীর শ্রেষ্ঠ উৎসব। কথায় বলে বাঙালির ১২ মাসে ১৩ পার্বণ। কিন্তু বাংলায় উৎসবের চমক ১৬ আনা থেকে ১৮ আনায় পৌঁছে গেছে। দুর্গা পূজা তাদের মধ্যে অন্যতম। দুর্গা পূজার কথা শুনলে বাঙালির মনে প্রাণে আনন্দের জোয়ার নেমে আসে।