পুজো সংখ্যা, ১৪৩৩

বাজলো তোমার আলোর বেণু

জন্ম দাগ
নাফিসা মিদ্যা

জন্ম দাগ

তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬
চারটি কবিতা
শিশির আজম

চারটি কবিতা

সব সম্পাদকই কিছু পূর্ব- সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি রাখেন তার ম্যাগাজিনের মহামূল্যবান সম্পাদকীয় পাতায় এই যেমন কবিতায় রাজনৈতিক উশকানি থাকবে না থাকবে না ধর্মীয় বিদ্বেষ অনৈতিক যৌনতা

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
কবিতা লেখা যায়
দীপক কুমার দাস

কবিতা লেখা যায়

বর্ষা নেমে এলে আমাকে ডেকে দিও তোমার উঠোনে। কাদা আর একহাঁটু জলে কবিতা লেখা যায়। অজস্র দারিদ্র্য নিয়েও  নীতিগত সিদ্ধান্ত বজায় রেখে বেঁচে থাকা যায় তোমাদের মতো। আসলে ঐশ্বর্য ওদের উন্মাদ করে দিয়েছে। চাহিদার খেপামোতে বিবেকহীন।

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
"তুমি"হওয়ার একটা লড়াই
তীর্থঙ্কর সুমিত

"তুমি"হওয়ার একটা লড়াই

নতুন থেকে চির নতুন  আগামীতে লেগে থাকা কথা  কোনো অদৃশ্য গোপনে                একাকী মিশে যায়

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
সেতু
শ্রীমন্ত দাস

সেতু

আপনি কি এখানে কিছুক্ষণ থাকবেন? হয়তো! কলমটা কি একবার... হ্যাঁ,নিশ্চয়ই। বাবার পাশে,এলোকেশে উঁকি দেওয়ার ইচ্ছেটায় বিরতি দিলাম। ফেরার সময়,তোমার অসময় বুঝেও ঢাকনাটাও দিয়ে এলুম। কলমের ঢাকনা কাছে রাখলে নাকি ফেরত আসে।

কবিতা১৩ অক্টোবর, ২০২৬
এমরান হাসান এর কবিতা
এমরান হাসান

এমরান হাসান এর কবিতা

ভুলে যাওয়া পথ শেখায় অরণ্য সুদূর... খসে পড়া বিবর্ণতায় চড়ুই— গান এঁকেছেে অঘ্রাণে দিন-রাত্রি— চন্দ্রপুকুর... মৃত ডাহুকের ঘর-গৃহস্থলী

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
 নাম-কাটা ভোটার
প্রাণজি বসাক

 নাম-কাটা ভোটার

এগোতে এগোতে একটি গোলাকার বৃত্ত চোখে পড়ে  সদ্য আঁকা সাদাখাতায় তারপর জ্যামিতি বাক্স থেকে  তরাক করে দাঁড়ায় বৃত্ত-আঁকা কম্পাস যেন মার্শাল 

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
কালচিনির সুড়ঙ্গ
মোফাজ্জল মণ্ডল

কালচিনির সুড়ঙ্গ

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ। ডুয়ার্সে তখন শীত নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিকেল নামলেই চা বাগানের সারি সারি ঝোপের ওপর কুয়াশা জমতে শুরু করে। দূরে বক্সার পাহাড় অন্ধকার হয়ে আসে, আর জঙ্গলের ভেতর থেকে ভেসে আসে অচেনা পাখির ডাক। কালচিনির রাতের একটা নিজস্ব শব্দ আছে। ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা ডাক। পাতার ফাঁকে বাতাসের ঘর্ষণ।

গল্প১৩ অক্টোবর, ২০২৬
মাতৃরূপেণ
অনুষ্কা চক্রবর্তী

মাতৃরূপেণ

মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা একুশ শতকে মাতৃরূপেণ সংস্থিতা! আমরাই তাঁকে গড়ে তুলি

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ -১)
ওয়াহিদার হোসেন

ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ -১)

সুবীরেশ সেন। কবি। সদ্য নর্থবেঙ্গল এসেছে। এখানেই শহীদুলের সঙ্গে দেখা হওয়ার কথা। শহীদুল বিএ পাশ ছেলে। রিসেন্টলি গাড়ি নিয়েছে।ট্যুরিস্টদের ঘুরিয়ে নিয়ে আসবে বিন্দু ঝালং লাভা এবং পরেরদিন রিশপ পৌঁছে দেবে। মালবাজার স্টেশনে নেমে বাসে করে চালসা এসেছে সে। এখান থেকে শহীদুল তাকে পিক করবে। জলপাইগুড়ি থেকে আসার কথা ইউনিভার্সিটির পুরোনো বন্ধু দেবত্তোম এর। এবারে সুবীরেশ এর কলিগ জহির রায়হানের আসার কথা ছিলো। ইচ্ছে ছিলো জহির নিজের মতো ঘুরবে। অথচ শেষ সময়ে ওর মেয়ের জ্বর বমি থাকায় কলিগ আসতে পারেনি। দেবোত্তমকেই কোম্পানি দিতে হবে। সুবীরেশ সেন দক্ষিণ বঙ্গে একটি কলেজে বেশ কিছুদিন হল জয়েন করেছেন ক্লার্ক হিসেবে।

সাপ্তাহিক লেখালেখি১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কাশ বনে
পিয়াল রায়

কাশ বনে

জলো ঘাসের জমিতে এইমাত্র পা ডুবিয়েছে ধূসর সারস পদ্ম শাপলায় মাখামাখি খেঁজুর কাঁটার বন দিনের রহস্য মাখা কালিসেন স্টেশন শালবনী থেকে বাঁকুড়া যতখানি পথ তারও বেশি আরাম থম ধরে আছে গোটা রেলপথ জুড়ে সরব উদ্বেগ সেতু থেকে সেতু গোলাপি রাখিবন্ধন

কবিতা১৩ অক্টোবর, ২০২৬
Bug out of the bag-Expedition of Mt.Jagatsukh
সুরজিৎ ব্যানার্জি

Bug out of the bag-Expedition of Mt.Jagatsukh

August 29, 2022 we drove to the Duhangan Weir Site a.k.a Khanaul and started our trek from there. We met the guide, assistant guide and rest of the support team on the previous day, tested the equipment and discussed the further planning. A ride out of Manali is pompy on the street wind,the long site of mountains with pavements soon turning into gravels as views of the Himalayas are ahead coming to foreview.

গদ্য১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৪)
ওয়াহিদার হোসেন

ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৪)

ভোর হয়ে আসছে। রাতে ভালো ঘুম হয়নি। ঘুমের ঘোরে মনে হচ্ছিল দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরকম মাঝেমধ্যেই হয়। কেন হয় সে জানেনা। এই অসুখটা আগে ছিলনা। হার্টের ডাক্তার অনেক যুগ আগেই নেশা করতে মানা করে দিয়েছে। কখনো হঠাৎ সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে হলে সে স্কুলের টয়লেটের পাশে টিচারদের একটা স্মোকিং জোন আছে সেটাতে যেত। ইদানীং স্কুলে স্মোকিং পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আজ হঠাৎ ঠান্ডা লাগছিল। লুঙ্গি পরে সে শুয়েছিল। যখন সে বিছানা থেকে উঠে পড়লো দেখে সাফিনা নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। অনেকটা গুটিসুটি হয়ে আছে। তার গায়ে হালকা করে আলনায় রাখা একটা বিছানার চাদর দিয়ে ঢেকে দেয়। চাদরটাকে ঘুমের ঘোরের জড়িয়ে ধরে সাফিনা। আহা বেচারা। অনেক কষ্ট হয় এই মেয়েটাকে দেখে সঙ্গে নিজের ভাগ্যের কথা ভেবে নিজের ওপরেই করুণা আসে। কী ছিল সে। কী হল? দুরন্ত ক্রিকেটের সেই দিনগুলোতে ফিরে যেতে ইচ্ছে হয়।

সাপ্তাহিক লেখালেখি১০ অক্টোবর, ২০২৬
কবিতা
বিশ্বজিৎ বর্মণ

কবিতা

যুবকদের যে গম-বিলাস যে হরিণগল্প স্থানান্তরের পর গোড়া খুঁজছে মালিকের মেয়ে ব্যালকনিতে বাড়ছে বেলা আসলে ওই গম ও বিলাস আর হাতেনাতে ধরা পড়ছে যুবকের দল হরিণীর গল্পে

কবিতা৭ মে, ২০২৬
কয়েকটি কবিতা
গোবিন্দ চক্রবর্তী

কয়েকটি কবিতা

ডিনার *** টলতে টলতে দরজায় কড়া নাড়ে পুরুষ। ড্রয়িংরুমে খিস্তির ঢেউ।

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
ঢাল বেয়ে বেয়ে
আহসানুল করিম

ঢাল বেয়ে বেয়ে

সকাল থেকে অফিসে নানা ঝামেলা যাচ্ছিল। প্রোডাকশনের ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডাউন, কোন থার্ড পার্টি সার্ভিসের সাথে যুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। হাউকাউ লেগে গেছে কাস্টোমারদের মাঝে। বাসা থেকে রিমোট কাজ করি। তাই একের পর এক কল আর মিটিং-এ যোগ দিতে হচ্ছে। এদিকে বাচ্চাটা জ্বরের কারণে আজকে ইশকুলে যায়নি বলে পাশের ঘরে খেলছে। একটু পর পর কোন একটা কারণে বারবার চিৎকার চেচামেচি করছে। প্রচণ্ড বিশৃংখল একটা পরিস্থিতি। এপার্টমেন্টের নিচে রাস্তায়ও বেশ হৈহল্লা শোনা যাচ্ছে।

গল্প১৪ অক্টোবর, ২০২৬
এক সূত্রে বাঁধা
রহিত ঘোষাল

এক সূত্রে বাঁধা

সন্ধ্যেবেলা রাস্তায় পা রাখতেই একটি খরগোশ ছুটে পালিয়ে গেল— ভ্যাট থেকে মুখ তুলে তাকায় কুকুর ছানা, পাগলের হাতে ঢিল, রেল কামরায় গাদাগাদি, চুমকির ঘরে বাবু, ফোয়ারা, চুড়িদার ভাসে হাঁটু জলে, পড়াশুনা করে এগারো বছর,

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
সৃষ্টিসুখের উল্লাসে
গোবিন্দ মোদক

সৃষ্টিসুখের উল্লাসে

এবার পাঁজরে রেখেছি তুরুপের তাস;  তোমার সঙ্গে দাবা, খেলবো বারোমাস  শীতার্ত দুপুরে; ইঁদারার পাশে ঘাস সবুজ থেকে সবুজতর; অন্য কোথাও চাষ 

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
রাদ আহমদের তিনটি কবিতা
রাদ আহমদ

রাদ আহমদের তিনটি কবিতা

বিচিত্রতার মধ্যে দিলাম ছোট্ট লাউ পাতা আঁশযুক্ত সে নবীন এবং প্রবল ব্যঞ্জনায় তিরতির করে সাদা রোদে কাঁপা সাজানো শহরে একটু জ্যামিতি করতে পারলে সম্ভাবনা ফোটে মনে হয় চুলের চিকন ছোট্ট গুচ্ছ যা কপালের গায়ে লতানো লতায় ছোট পাতা হয়ে ফোটে এই যে দেখ কী সহজেই তুমি রূপকথা দিয়ে আবিষ্ট মহসিন রোড রূপবান নিয়ে রাস্তায় এসে পড়ে

কবিতা১৩ অক্টোবর, ২০২৬
সুবাইতা প্রিয়তির পাঁচটি কবিতা
সুবাইতা প্রিয়তি

সুবাইতা প্রিয়তির পাঁচটি কবিতা

দান্তের দাহ করা দাঁত থেকে নরকের যে শাখানদী উধাও করে দিচ্ছে প্রাচীন কবর, সেখান থেকেও জেগে উঠছে একে একে নাভি। প্রত্যেকে মুখস্থ শব্দ লিখতে উৎসুক তবে শ্বাপদের মুখে গড়িয়ে চলেছে, এবং ঘটনাপ্রবাহের অভিলম্বে। ধীর হয়ে যাচ্ছে আওয়াজের বেগ, শুধু যুদ্ধে বুদ্ধ! কোটি শব্দ গুণোত্তর সম্ভাবনা নিয়ে আমার ভাবনায় টেক্সটের সংগ্রাম, যেনবা ডিসকোর্সের আগে।

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
অনৈতিহাসিক
জারিফ আলম

অনৈতিহাসিক

ফেনিয়ে ওঠা অনেক কথার প্রতিরোধে ছিনতাই হয়ে গেল–রূপকথা সংকলন!

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
সময় আমাকে শেখায়
সোহেল দয়াল

সময় আমাকে শেখায়

বিষের বালি ভিতরে নিয়ে, মুখ বুজে নিরবে সহে যাওয়া শিখে নেয় আবুল হাসান ঝিনুকের কাছে। রাজা যায় রাজা আসে,পৃথক পালংক একা অন্ধকারে।  নির্জন হাতে জীবনানন্দ, ছুঁয়ে দেয় মহাপৃথিবী,রুপসী বাংলার হৃদয়,

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
প্রকৃতির টান ও শহুরে জীবন
পিয়ালী ভট্টাচার্য

প্রকৃতির টান ও শহুরে জীবন

পথ চলেছে পথের মতো ।পথিক হাঁটছে ,পথেই কি তবে পাবে পথিক দুদন্ড শান্তি।এমনি এক বিকেলে সূদূরের উদ্দেশ্য ভ্রাম্যমাণ পথিক দাঁড়িয়ে দেখে অসীম রহস্যময় অনন্ত বিস্তারিত জলরাশির মধ্যে আলো আঁধারি খেলা।গঙ্গাবক্ষের এমন সৌন্দর্য মুহূর্তের মধ্যে শহুরে জীবনে ক্লান্ত, ক্ষয়িষ্ণু চলমান পথিক কে টেনে নেয় তার কাছে। শেষ বিকেলের আলোয় ঢাকা সূর্যাস্ত, নদীর কলতান, ভাসমান নৌকা,ছায়া নিবিড় সুশীতল স্নিগ্ধ প্রকৃতির রুপ,বিগত অনাগত কত ভাবনার মধ্যে মনকে গ্ৰাস করে।কি চাইলাম ,কি চেয়েছি কোথায় যাচ্ছি মুহূর্তের মধ্যে নিজের মনের মানুষের সন্ধানে খুঁজে ফেরে পথিক।

গদ্য১৩ অক্টোবর, ২০২৬
ল্যাংস্টন হিউজ  (আমেরিকান কবি-লেখক ও সমাজকর্মী)
শঙ্কর ব্রহ্ম

ল্যাংস্টন হিউজ (আমেরিকান কবি-লেখক ও সমাজকর্মী)

ল্যাংস্টন হিউজ লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়, পেন্সিল্‌ভেনিয়ায় পড়শুনা করেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্লেম রেনেসাঁসের অন্যতম একজন নেতা। তাঁর কর্মকাল ছিল ১৯২৬ সাল থেকে–১৯৬৪ সাল পর্যন্ত।

গদ্য১১ অক্টোবর, ২০২৬
শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
শৌভিক দত্ত

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা

যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি

কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬
যখন রাত্রি নামলো
অর্ঘ্য রায় চৌধুরী

যখন রাত্রি নামলো

হাতের পাতায় রাত ঘনালো, বারান্দাতে একা উঠে যে যাবো অন্যকোথাও এমনটা কেউ নেই বসে আছি তারা খসা দেখছি উঠোন জুড়ে পায়ের নিচে শিকড় জন্মালো ডাকলো না কেউ এমন বহু রাতে। স্বপ্ন কোথাও নেই বলে আজ হাঁটতে গেছি ভুলে। হাঁটতে গেছি ভুলে?

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
আত্মপ্রজ্ঞার প্রহর
অনিমেষ বসাক

আত্মপ্রজ্ঞার প্রহর

আমাদের জীবন রাস্তায় সারি বাঁধা লাইটপোস্টের মতন—কখনো বোধগম্যতার আলোকে উদ্ভাসিত সুস্পষ্ট জীবনপথ, আবার কখনো দুই আলোর মধ্যবর্তী এক অনিশ্চিত অন্ধকার; যেখানে পথ হারানোর ভয় আর নিজের অস্তিত্বের মুখোমুখি দাঁড়াবার নীরব স্তব্ধতা।

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
ক্ষয়
শাশ্বত ভট্টাচার্য্য

ক্ষয়

মাটি ক্ষয়ে যায়     শরীর হয়ে  খসে পড়ে  তেজপাতা গাছেদের ছাল     

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
চারটি কবিতা
শিশির আজম

চারটি কবিতা

সব সম্পাদকই কিছু পূর্ব- সতর্কতামূলক নির্দেশনা জারি রাখেন তার ম্যাগাজিনের মহামূল্যবান সম্পাদকীয় পাতায় এই যেমন কবিতায় রাজনৈতিক উশকানি থাকবে না থাকবে না ধর্মীয় বিদ্বেষ অনৈতিক যৌনতা

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
কবিতা লেখা যায়
দীপক কুমার দাস

কবিতা লেখা যায়

বর্ষা নেমে এলে আমাকে ডেকে দিও তোমার উঠোনে। কাদা আর একহাঁটু জলে কবিতা লেখা যায়। অজস্র দারিদ্র্য নিয়েও  নীতিগত সিদ্ধান্ত বজায় রেখে বেঁচে থাকা যায় তোমাদের মতো। আসলে ঐশ্বর্য ওদের উন্মাদ করে দিয়েছে। চাহিদার খেপামোতে বিবেকহীন।

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
"তুমি"হওয়ার একটা লড়াই
তীর্থঙ্কর সুমিত

"তুমি"হওয়ার একটা লড়াই

নতুন থেকে চির নতুন  আগামীতে লেগে থাকা কথা  কোনো অদৃশ্য গোপনে                একাকী মিশে যায়

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
সেতু
শ্রীমন্ত দাস

সেতু

আপনি কি এখানে কিছুক্ষণ থাকবেন? হয়তো! কলমটা কি একবার... হ্যাঁ,নিশ্চয়ই। বাবার পাশে,এলোকেশে উঁকি দেওয়ার ইচ্ছেটায় বিরতি দিলাম। ফেরার সময়,তোমার অসময় বুঝেও ঢাকনাটাও দিয়ে এলুম। কলমের ঢাকনা কাছে রাখলে নাকি ফেরত আসে।

কবিতা১৩ অক্টোবর, ২০২৬
এমরান হাসান এর কবিতা
এমরান হাসান

এমরান হাসান এর কবিতা

ভুলে যাওয়া পথ শেখায় অরণ্য সুদূর... খসে পড়া বিবর্ণতায় চড়ুই— গান এঁকেছেে অঘ্রাণে দিন-রাত্রি— চন্দ্রপুকুর... মৃত ডাহুকের ঘর-গৃহস্থলী

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
 নাম-কাটা ভোটার
প্রাণজি বসাক

 নাম-কাটা ভোটার

এগোতে এগোতে একটি গোলাকার বৃত্ত চোখে পড়ে  সদ্য আঁকা সাদাখাতায় তারপর জ্যামিতি বাক্স থেকে  তরাক করে দাঁড়ায় বৃত্ত-আঁকা কম্পাস যেন মার্শাল 

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
কালচিনির সুড়ঙ্গ
মোফাজ্জল মণ্ডল

কালচিনির সুড়ঙ্গ

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহ। ডুয়ার্সে তখন শীত নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিকেল নামলেই চা বাগানের সারি সারি ঝোপের ওপর কুয়াশা জমতে শুরু করে। দূরে বক্সার পাহাড় অন্ধকার হয়ে আসে, আর জঙ্গলের ভেতর থেকে ভেসে আসে অচেনা পাখির ডাক। কালচিনির রাতের একটা নিজস্ব শব্দ আছে। ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা ডাক। পাতার ফাঁকে বাতাসের ঘর্ষণ।

গল্প১৩ অক্টোবর, ২০২৬
মাতৃরূপেণ
অনুষ্কা চক্রবর্তী

মাতৃরূপেণ

মহিষাসুরমর্দিনী দুর্গা একুশ শতকে মাতৃরূপেণ সংস্থিতা! আমরাই তাঁকে গড়ে তুলি

কবিতা১১ অক্টোবর, ২০২৬
কাশ বনে
পিয়াল রায়

কাশ বনে

জলো ঘাসের জমিতে এইমাত্র পা ডুবিয়েছে ধূসর সারস পদ্ম শাপলায় মাখামাখি খেঁজুর কাঁটার বন দিনের রহস্য মাখা কালিসেন স্টেশন শালবনী থেকে বাঁকুড়া যতখানি পথ তারও বেশি আরাম থম ধরে আছে গোটা রেলপথ জুড়ে সরব উদ্বেগ সেতু থেকে সেতু গোলাপি রাখিবন্ধন

কবিতা১৩ অক্টোবর, ২০২৬
জন্ম দাগ
নাফিসা মিদ্যা

জন্ম দাগ

তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬
 গাছ
হিমাংশু রায়

গাছ

চুপ করে বসে থাক আর শোন। গাছেরাও কথা বলে জানলাম কাল।  সকালে হাই তোলার মত করে গাছেরাও শব্দ করে শুকনো,ভেজা পাতাগুলোকে ঝেড়ে ফ্যালে সকালের প্রথম হাওয়ায়। তারপর একটু হাত পা নাড়িয়ে ব্যায়াম করে, সকালের রোদে। শুকনো ডালগুলোর মড়মড় আওয়াজ শুনলে বুঝবি।

গদ্য৭ মে, ২০২৪
দুধারে ঈশ্বর 
স্মৃতি রায়

দুধারে ঈশ্বর 

একটি প্রাণবন্ত ফুঁয়ে একরাশ আঙুল এ কেমন বিমল ফুল নীল হাত নেড়ে বলে প্রজাপতি ছেলেবেলা তার ক্যাপশন

কবিতা৭ মে, ২০২৪
 চিঠি
অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়

চিঠি

ফিরে আসা চাঁদের উসকানি ঢুকে যাচ্ছে মাথার ভেতর মেঘের হাত ধরে পাথর খুঁজতে যাব তোমার কিনারে।

কবিতা৭ মে, ২০২৪
সম্পাদকীয়
সম্পাদক

সম্পাদকীয়

মড়ক লেগেছে নাকি খরা ! বাঙালি মনন বাঙালির ভাষা,  বিস্মৃত তার ঐতিহ্য ও অস্তিত্ব । সংখ্যা দিয়ে বিচার করলে এই ধারণা ভীষণ রকম ভুল বলে প্রমাণিত হবে। বছরে বছরে যেভাবে গজিয়ে উঠছে অগণন লিটিল ম্যাগাজিন , সামাজিক মাধ্যমে অবিরত বয়ে যাচ্ছে সাহিত্যের বহতা ধারা ।

গদ্য৭ মে, ২০২৪
গণিত, অথচ
নীলাদ্রি দেব

গণিত, অথচ

অ্যাম্বুলেন্সের ডালা খোলা আছে গাছের শরীরে অন্য গাছের ছায়া তবু ওভারল্যাপ এইসব দৃশ্যভাবনার পাশে ঠোঁট, বরফ, বরফ কঠিন ঠোঁট গল্প বদলে যাচ্ছে

কবিতা৭ মে, ২০২৪
সোয়েটার
অবিন সেন

সোয়েটার

গন গনে নীল শিখা মেলে গ্যাসের উনুন জ্বলছে। কেটলিতে জল সেই কখন থেকে ফুটে চলেছে। বাষ্প হয়ে অর্ধেক জল মরে গেছে। সেই দিকে কোনও খেয়াল নেই নীলার। সে একটা বেতের গদি মোড়া আরাম চেয়ারে বসে আছে। কিচেনটা ঢের বড়। প্রায় প্রমাণ সাইজ একটা ঘরের মতো। এখানে বসে উলের কাঁটায় শব্দ তুলে সোয়েটার বুনে যাওয়া তার একমাত্র বিলাসিতা। শীতের দিনে আগুনের এই উত্তাপটা কী যে আরামের, নীলা তা কাউকে বোঝাতে পারবে না। গ্যাসটা কতক্ষণ জ্বলছে সে দিকে তার কোনও খেয়াল নেই। চায়ের জল বসানোটা আসলে একটা ছুতো। শীতের রাতে আগুনের উষ্ণতাকে সে প্রাণ ভরে উপভোগ করে নিচ্ছে। গ্যাস পুড়ছে পুড়ুক। সেই নিয়ে সে মাথা ঘামায় না। তার স্বামী বিপুলের টাকার অভাব নেই। তারা বিশাল ধনী না হতে পারে কিন্তু এই সব সামান্য বে-হিসেবী খরচ করার মতো তাদের ঢের পয়সা আছে।

গল্প৭ মে, ২০২৪