চলতি সংখ্যাপ্রকাশ ১১ অক্টোবর, ২০২৬
পুজো সংখ্যা, ১৪৩৩-এর প্রচ্ছদ

পুজো সংখ্যা
১৪৩৩

বাজলো তোমার আলোর বেণু

২১কবিতা
৩গল্প
৩গদ্য
০১

নির্বাচিত লেখা

সব নির্বাচিত লেখা
ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
কবিতা

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা

আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি
তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে
হাত
হৃৎপিণ্ড

ওয়াহিদার হোসেন · ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
জন্ম দাগ
কবিতা

জন্ম দাগ

তোমাকে ভীষণ হিংসে হয়
হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই

নাফিসা মিদ্যা
ঢাল বেয়ে বেয়ে
গল্প

ঢাল বেয়ে বেয়ে

সকাল থেকে অফিসে নানা ঝামেলা যাচ্ছিল। প্রোডাকশনের ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডাউন, কোন থার্ড পার্টি সার্ভিসের সাথে যুক্ত হওয়া যাচ্ছে না। হাউকাউ লেগে গেছে কাস্টোমারদের মাঝে। বাসা থেকে রিমোট কাজ করি। তাই একের পর এক কল আর মিটিং-এ যোগ দিতে হচ্ছে। এদিকে বাচ্চাটা জ্বরের কারণে আজকে ইশকুলে যায়নি বলে পাশের ঘরে…
নিউইয়র্ক শহরের কুইন্স বরোর যে এলাকায় আমার বাসা, সেখানে এমনিতেই গাড়ির হর্ন, এম্বুলেনস, পুলিশ আর ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সাইরেনে কোন নীরবতার অবকাশ নেই। যদিও অনেকদিন ধরে থাকতে থাকতে কিছুটা অভ্যস্ত হয়েছি কিন্তু তারপরও কাজে কর্মে মনোযোগ দেওয়া অনেকসময় বেশ কঠিন হয়ে যায়। আজকের অবস্থা এক কথায় ভয়াবহ।

আহসানুল করিম

অনেক দিন পর রীয়াংশুর সাথে মৈনাকের দেখা হলো। রীয়াংশু মৈনাকের ছেলে বেলার বন্ধু।একসাথে স্কুল, কলেজ আড্ডার আসর,এভাবেই দুজনের বেড়ে ওঠা। রীয়াংশু ভালো স্টুডেন্ট হওয়ায় বর্তমানে ভারতীয় রেলে কর্মরত। মৈনাক বাপের ব্যবসা নিয়েই পড়ে রইলো ধ্যারধ্যারে গোবিন্দপুরে। অল্প বয়সে পেকে যাওয়ায় বিয়েটা অনেক আগেই…
একা থাকলে যেমন হয় ঘরের অবস্থা।চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে বই, ফ্ল্যাগ, খবরের কাগজ ইত্যাদি। শরমা, মৈনাকের বৌ, হেসে বলল,
- " একা থাকলে এমনই হয়। "
রীয়াংশু কোনো উত্তর দিল না। মুখ ভর্তি দাড়ির মধ্যে থেকে হালকা হাসি হেসে শোফায় বসে কিছু একটা লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করল পেপারের মধ্যে। মনে হলো কোনো ছবি। সারাদিনের জার্নির ক্লান্তি আর শরমার বকবকানি শুনতে শুনতে মৈনাকের শরীর ক্লান্ত। মুখে হাতে জল দিয়ে সামান্য কিছু মুখে দিয়ে শুয়ে পড়লো।

চিরকুট মিঠুন মণ্ডল
০২

আরও এই সংখ্যায়

সব ২৭টি লেখা
০৩

সাপ্তাহিক লেখালেখি

সব সাপ্তাহিক লেখালেখি
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ - ৬)
ধারাবাহিক

ইমন কল্যাণ

পরিচ্ছেদ ৬ · ওয়াহিদার হোসেন

অনেক রাতে ফিরেছিল কল্যাণ ওরফে শহীদুল। গাড়িটা শেডে রাখার পর দু'বার হালকা করে মা ডাকতেই দরজা খুলে দেয় রোকেয়া। পাশের বাড়ির সম্পদদের পুঞ্জির পাশে খোলা গোয়াল ঘরে তখনো গোরুগুলো কান নাড়ছে। মশা তাড়ানোর সড়াৎ সড়াৎ আওয়াজ আসছে। আসিলু? রোকেয়া দরজা খুলতে খুলতে বলে।

পরিচ্ছেদ ১পরিচ্ছেদ ২পরিচ্ছেদ ৩পরিচ্ছেদ ৪পরিচ্ছেদ ৫পরিচ্ছেদ ৬
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৫)
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৫)

আকাশে এখন আর মেঘ নেই। হাওয়া হচ্ছে। কদিন পরেই বর্ষা নামবে। একদিন হাসপাতাল থেকে ফিরতে গিয়ে বহুত ঝামেলা হয়ে গেছে। মইদুল ফিরছিল ডিউটি থেকে রাত আটটার দিকে তখুনি ঘটনাটা ঘটে। সেদিন ঝোঁকের মাথায় একটু খেয়ে ফেলেছিলো। রাস্তা পার হতে গিয়ে একটা টোটো পায়ে মেরে দেয়। সচকিত হয়ে সে যখন তাকায় ততক্ষণে টোটো পায়ের ওপর…

১৭ অক্টোবর, ২০২৬
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৪)
ইমন কল্যাণ (পরিচ্ছেদ-৪)

ভোর হয়ে আসছে। রাতে ভালো ঘুম হয়নি। ঘুমের ঘোরে মনে হচ্ছিল দম বন্ধ হয়ে আসছে। এরকম মাঝেমধ্যেই হয়। কেন হয় সে জানেনা। এই অসুখটা আগে ছিলনা। হার্টের ডাক্তার অনেক যুগ আগেই নেশা করতে মানা করে দিয়েছে। কখনো হঠাৎ সিগারেট খাওয়ার ইচ্ছে হলে সে স্কুলের টয়লেটের পাশে টিচারদের একটা স্মোকিং জোন আছে সেটাতে যেত। ইদানীং…

১০ অক্টোবর, ২০২৬