
এই জ্বলন্ত ঘরে আমি আর থাকতে চাই না, অথচ যারা ভালোবাসে আমায়, তারা এই আগুন দেখতে চাইছে না। পথের ধারে একটা বেঞ্চ, ওখানেই সবাই বিশ্রাম করে। ওই দিকে যাওয়ার আর একটি রাস্তা আছে— কিছুটা ঝোপঝাড়ঘেরা, ওখানে অতীতের আমি একটু ভালো মানুষ হতে শিখেছিলাম। ওখানে এক জ্যোৎস্না রাতে আমি খালি পায়ে দাঁড়িয়েছিলাম, তখন এক মেয়ে আমাকে একটি মরা শামুকের খোল উপহার দিয়ে বলল, এতে অদৃশ্য হওয়ার জাদু লুকানো আছে। বলেই সে চলে গেল। আমি ওটা আলমারিতে রেখে দিয়েছি, কারণ দৃশ্য সন্নিকটে এলে স্বপ্নের সুতো ছিঁড়ে যায়। হত্যার হুমকি আসে। আকাশ থেকে একটু সুরমা নিয়ে আজ আমি তোমার গৃহে যাব। তুমি অকারণে ভালো আছ আজ।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।