
আসলে যে কোন কেস গুবলেট করে দিতে গেলে যে কৌশল প্রয়োজন বুক চিতিয়ে বলবো না সব আমার ডিকশেনারিতে ডিজাইন করা ব্যাপার হলো ঝুপ করে মাঝ বরাবর চালকুমড়ো বলি দিয়ে দুফাঁক করার কায়দা যেমন রপ্ত হতে অপেক্ষারা চাদর বুনে ফ্যালে তেমন বিনা চষে আপন করতে পারাটা একটা আর্ট কোনটা স্কেচ না এই প্রসঙ্গে তুমুল বাছবিচারি করে দেখার সময় আতস কাঁচ সহ হন্যে হতে রাজি তবুও নিমফল সন্দেহে মনের কোণে রোদ উঁকি দিতে না শেখা চল্লিশ মাঝ বয়স আধ কাঁচা চুল নিতান্তই গর্ব খুলে চৌচির কার্পাস গাছে মেঘের রাজ্য থেকে ঘুরে আসা এক ঝটিকা ভ্রমণের ব্লক দেখতে গিয়ে রং তুলি তে সাজিয়ে ফেলি সেরামিকের কাপ প্লেটে ভরাট গাঢ় চা আর কুকিজের নোনতা লালারস মিশে থাকা মিষ্টির ঘনত্বের জন্য আমার মন কেমন করে ওঠে যেদিন প্রথম কাঠি গোঁজা সাদা বরফের মাথায় নারিকেলে দুধ দাঁত গেঁথেছিলাম হাতের তালু বেয়ে হিমঘরে কাঠের দরজায় কুনুইএর কোণ জড়ো করে তুলেছিলো আমাদের ছেলেবেলা বুলন্দ কী আশ্চর্য পুরাতন হলেও পাল্টে ফেলা যায় না ইম্ব্রোডায়েরী পাঞ্জাবির বুকপকেট ধুলোজমা বই খাতা ও কলম যদিও পৃথক শালিখ ভেবে দেখার অবকাশ আসেনি আচ্ছা বরফ কী রঙিন হয় শিমুলের জন্য?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।