২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয়
বইমেলা হচ্ছে বাঙালির উৎসবের শেষতম সংযোজন।কত কবিতা কত গল্প কত উপন্যাস পরিপূর্ণতা পেল পাচ্ছে পাবে।আমাদের লেখক শিল্পীদের কত উচ্ছ্বাস কত অপূর্ণতা কাভারে ঢেকে এলো।জেলা বইমেলাগুলো শেষ হওয়ার পরেই শুরুয়াত হয়ে যায় কলকাতা বইমেলার।আন্তর্জাতিক বইমেলাও বটে।লেখক কবি শিল্পী সাহিত্যিক পাঠক এমনকি দেশবিদেশের মানুষরাও শুধু প্রিয়তম শিল্পীকে একবার ছুঁয়ে দেখার জন্যও ঢুঁ মারেন বইমেলায়।তীর্থক্ষেত্র ঘুরে আসার তাগিদ রাজ্যের দেশের মানুষেরা বাঙালির ঘরের টানে বইমেলার টানে ফিরে আসা।
 
 
বইমেলা সংখ্যা ডিজিটালি হচ্ছে।আমাদের প্রয়াস।অগনন ব্যস্ততার মধ্যেও ল্যাপটপ নিয়ে বসে থাকা ডুয়ার্সের এক প্রত্যন্ত এলাকা থেকে।আমরা ঘরে বসেই স্বাদ নিচ্ছি।
 
এবার আমরা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটানোর বন্দোবস্ত করেছি।আমাদের ওয়েবজিন এলো বলে।যখন নাতিশীতোষ্ণ হয়ে উঠছে কর্কটক্রান্তি।শীতের আঁচমন সেরে কনসেনট্রেট করছি নতুন বইয়ের গন্ধে।বইয়ের কাগুজে স্পর্শে। 
 
এখানেও থেকে গেল কিছু মাকড়সার জাল। কিছু অযত্ন।প্রতিভার অফুরান প্রকাশই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের বাঙালি শিল্পমনস্ক মানুষদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার উদ্যোগ নিয়েও সে কাজে কতটা সফল হলাম জানিনা।তবে এরও প্রতিফলন আছে। যখন ফোনে ইমেলে মেসেঞ্জারে শুভেচ্ছা বার্তা আসে তখন না না করেও বসে পড়তে হয় ল্যাপটপ নিয়ে। ভালো থাকতে হয়।কতটুকু কি হলো কি হলনা সম্ভাবনা নিয়ে। 
 
নাগরিক অস্থিরতা।ব্যাস্ততা।স্যোসাল মিডিয়ার করালগ্রাস থেকে মুক্তি পেতে তারই সাহায্য নেওয়া। এটাও বোধহয় একটা ইতিবাচক দিক।সুস্থতা শান্তি এক ক্লিকে ঘুরে আসা বইমেলার অন্দরমহলে উঁকি দেওয়ার একমাত্র মাধ্যমই বোধহয় এই জানালা।এই ওয়েবজিন।ভালো থাকুন পাঠক। প্রিয় কবি চিত্রশিল্পী সাহিত্যিক আর সকলের গানের সকল অনুরাগী যারা আমাদের প্রান এবং একইসঙ্গে প্রেরণার উষ্ণতম উৎসস্থল।
 
 
 
 

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

আমার রবীন্দ্রনাথ
ভবেশ বসু

আমার রবীন্দ্রনাথ

রবীন্দ্রনাথ হলেন জ্ঞান ও বোধ। তোমাদের আঁচলে কি ? কি বাঁধা আছে ? জ্ঞান ও বোধ বেঁধে রেখেছো কেন ? আঁচলে চাবি গোছা।তার সাথে রবীন্দ্রনাথ।সকল মায়ের আঁচলে বাঁধা।সন্তান ছুটতে ছুটতে চলে এল।চোখে ঘাম।মুখে ঘাম।পায়ে ধুলা।ছেলে মেয়ের পৃথক গামছা।গামছায় ছেলে মেয়ে পরিস্কার হল।  মা ওদের তো রবীন্দ্রনাথ দিলে না ? রবীন্দ্রনাথ গামছায় নেই।রবী আছেন আঁচলে।

গদ্য৭ মে, ২০২৪
রঞ্জিত কথা - শঙ্খ ঘোষ
সব্যসাচী হাজরা

রঞ্জিত কথা - শঙ্খ ঘোষ

রবীন্দ্রনাথের ‘জীবনস্মৃতি-র সেই কথা মনে পড়ে –‘আমাদের ভিতরের এই চিত্রপটের দিকে ভালো করিয়া তাকাইবার আমাদের অবসর থাকে না। ক্ষণে ক্ষণে ইহার এক-একটা অংশের দিকে আমরা দৃষ্টিপাত করি। কিন্তু ইহার অধিকাংশই অন্ধকারে অগোচরে পড়িয়া থাকে’। সেই অন্ধকারে এঁকে রাখা ছবিগুলো যা রঞ্জিত সিংহ’র ভেতরে একান্ত ব্যক্তিগত হয়ে থেকে গিয়েছিলো, আমি সেগুলোকেই আলোয় আনতে চেয়েছি। ‘রঞ্জিতকথা’ তাই।

গদ্য৩০ আগস্ট, ২০২৪
 গাছ
হিমাংশু রায়

গাছ

চুপ করে বসে থাক আর শোন। গাছেরাও কথা বলে জানলাম কাল।  সকালে হাই তোলার মত করে গাছেরাও শব্দ করে শুকনো,ভেজা পাতাগুলোকে ঝেড়ে ফ্যালে সকালের প্রথম হাওয়ায়। তারপর একটু হাত পা নাড়িয়ে ব্যায়াম করে, সকালের রোদে। শুকনো ডালগুলোর মড়মড় আওয়াজ শুনলে বুঝবি।

গদ্য৭ মে, ২০২৪