
তখন গোধূলি
আমি ও দেবদূত
দেবদূত ও আমি
হরতন,রুইতন খেলি
আমাদের মধ্যে কখনোই আসেন না 'ঈশ্বর' নামের ব্রান্ড
গাছেদের হারিয়ে যাওয়া সবুজ সোয়েটারের প্রসঙ্গ আসে,
অনশনে বসে থাকা কতগুলো ভুখা পেটের দর্শন,হলুদ করোটির রাজনীতি
মাটি থেকে রক্তের গন্ধ ভেসে আসে,আমরা নাক চেপে ধরি
মদ ও মাংসের কথা ওঠে- মৃতদের সাথে সঙ্গম করে যারা,সেই সব অঘোরীদের কথা।
আজব পৃথিবী ! হেসে উঠি-- হা হা!
টাকাপয়সার কথা ওঠলে নেতা,মন্ত্রী,পুলিশ,শ্রমিক,চাষী ও মাতালদের কথা আসে-
কথা আসে ভুল পৃথিবীতে জন্মানো শিশুর..
দেবদূত সিগারেট খায় না
তাই তোমার গাঢ় অভিমানের কথা তুলে ধরি-
টেক্কা তখন আমার হাতেই
দেখি, হারতে হারতে
জিতে গেছে আমার তাসের জীবন।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।