
তারপর কি হয়?
দু'কদম লজ্জা পায়
ইতস্তত রাস্তা খোঁজে
বেপাড়ারার এতিম বাচ্চারা
তাদের হাতের মুঠোয় নাম ঠিকানা লেখা
মধ্যে
গোল করে মেহেদি এঁকে নেওয়া
এঁকে দিলেই তো কাজ শেষ নয়
যারা নিখোঁজ হয়েছে তারাও রাত্রি শেষে
টালমাটাল বাড়ি ফেরে
চিলচিৎকার
অশান্তি
বাসনের শব্দ
এসবই স্বাভাবিক
যাদের হাত পা বেপথু হয়
শুড়িখানা থেকে ফেরে
বেকারার হয়
দুপাত্তর গিলেই
তাদের আর কি দোষ বলুন?
তবু যদি মদই খেত আপত্তি ছিলনা
কিন্তু কারো চোখ থেকে
কিন্তু কারো মনভোলা পথের দিকে তাকিয়ে তাকিয়ে
সারাদিন নষ্ট করে দেয়
তাহলে কারই'বা রাগ হবেনা বলুন?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।