
ফটক পেরিয়ে একটা কাঠবিড়ালী
দারুন কৌশলী
ঝুলে থাকে সময়ের দড়িতে,
তার নিচে ছায়া—
কবরস্থানের ডাগর ডোগর ঘাস
কেবলই ফিসফাস বারোমাস
কোন শব্দ নেই - যেন ঘড়ির ভাঙা কাঁটা-
স্বপ্নের জোয়ার-ভাটা
বৃক্ষের গায়ে জমে
বিব্রত বৃদ্ধাশ্রমে
পুরনো ক্ষুধা, ঝাঁক ঝাঁক ম্লান পোকা
কেবলই ঘিরে ধরে, ঠোকর মারে
পাতারা ঝরে না,
তারা অপেক্ষা করে
অপেক্ষা করে জরুরী ফাগুনের।
আর্তনাদের মত থরোথরো,
তবু কাঠবিড়ালী হাঁটে-
তার লেজে বাঁধা একটা ছেঁড়া সূর্যাস্ত,
যেখানে "সূর্য" বারবার ডুবে যায়।
সার্কাসের তাঁবুতে আলো-ছায়ার খেলা,
দর্শক নেই, তবু সে অভিনয় করে—
মাতালের মত ভারসাম্যহীন
যেন দারুণ কৌশলী জীবন।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।