৩০ নভেম্বর, ২০২৫
ঘূর্ণিবাতাসের কোরাস
ঘূর্ণিবাতাসের কোরাস

নাভির ওপর দিয়ে হেঁটে যায়

অদৃশ্য ঘূর্ণিবাতাস—

তার পায়ের শব্দে হঠাৎ

পিপীলিকার বুক উজাড় হয়,

দু’একটা অণু হিম হয়ে পড়ে।

 

কোঁচড় ভরা কেঁচো নিয়ে

একটি বুনো হাঁস

মুগ্ধ হয়ে তাকায় নিরালোক খাদের দিকে,

যেখানে আলো শব্দটা

আজ একটু খুঁড়িয়ে হাঁটে।

 

শূন্য বলতেই

বুকের ভেতর থেকে উঠে আসে খরগোশ,

তার কানজোড়া

বাষ্পে ভিজে উঠে

ঘ্রাণ নেয় দূরের ভাঙা রোদের।

 

অদৃশ্য ঘূর্ণিবাতাস থেমে গেলে

বাজ পড়ে শুধু স্মৃতির গর্ভে—

সেই আঁচে জেগে ওঠে

একটা অসমাপ্ত নদী,

যে নদী দিনরাত

শুধু ভুলের মানচিত্র গড়ে।

 

বস্তুত, ঝড় নয়,

একটা ক্ষুদ্র গুঞ্জন

উড়িয়ে নেয় বালুচরের চিটচিটে দুঃখ,

কিছু পাকহাওয়া,

আর অকারণ নীল কাচের ভাঙা টুকরো—

 

তবুও আমি বলি,

ওই ভুলের মানচিত্রটাই এবার

পুড়িয়ে দাও

খসখসে কোরাসে।

এখনও কোনও মন্তব্য নেই

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।