কবিতা
সকল পোস্টসমূহ

অভিজিৎ সরকারের কবিতা
দূর থেকে তাকিয়ে আছো প্রিয় মানুষেরা হেসে যাচ্ছো দীর্ঘ প্রহর হেসে যাও, হাসতে হাসতে উপহাস করো আমায় নিয়ে,

স্মৃতি রায়ের দুটি কবিতা
ঘুরছি এক ভ্রমে হলদে সাদার কদম হবো বলে । হাওয়ার খিলখিল থেকে নরকের বন্ধ দরজার কাছাকাছি গিয়েও তুমি ফিরে এলে ঈশ্বর হাতে ।

শৌভিক দত্তের দুটি কবিতা
ইদানীং রঙ থেকে চিলতে সাবানখোদাই। ভাবনাকে পুষতে পুষতে জামদানী কাঠের চেয়ার। এলো। ছয় ছয়কারী গুলিয়ে ফেলছি অনেকদিন।

মিরাতুন নিসা ও কালনবিশ
কেউ গেয়ে ওঠে না হৃদয়ের গান। বৃষ্টি থামে, ছাতা নিয়ে বাড়ি ফেরে চরম সুবিধা ও জননেতা

প্রস্থান
বিকেল হয়ে এলে সন্ধ্যার আগে আগে একদিন— বাসনা নিয়ে, অনন্ত উপেক্ষা নিয়ে হাসতে হাসতে ঘুমিয়ে যাবো। সারা রাত জেগে থাকবো দুঃস্বপ্নের ভেতর।

ফয়জল অমির তিনটি কবিতা
সূর্যের ফাঁসির পর সব বিদঘুটে অন্ধকার। চেয়ে থাকি জানালার প্রতিটা ভাঁজে কখন পুড়ছে সকাল কখন পুড়ছে রাত

অর্ঘ্য রায় চৌধুরীর দুটি কবিতা
বিকেলের আলো পড়ে এলে আমাকে পাবে না আর বালকের দল যেখানে খেলতে গেছে সেইসব মাঠে আমিও তাদের সঙ্গে সামিল হবো

আগমন
একটা বিকেল, অনেক না বলা কথার পাহাড় -- বারংবার। ঝকমকে রোদ্দুর,

মহাজাগতিক মৃত্যু
অভ্যাসের হাত প্রথম প্রথম খোঁজ খবর নিয়ে যায় ভালো মন্দের সৌজন্য আলাপ পরিচিত গল্পের স্বাদ

দেওয়াল
দ্রুততম বর্বরতার জীবন - জনশূন্য! অসম্ভব ব্যস্ততা; অজগরের মত লম্বা সোশ্যাল মিডিয়ার ওয়াল - জনহীন,

পিয়াল রায়ের দুটি কবিতা
যখন স্নান সেরে আসি মনে হয় ভোরের আলোর মতো জড়িয়ে ধরি তাকে কপালে চুমো দিই, নাক ঘষে দিই নাকে শরীরে হাত রেখে বলি, 'আজ থেকে তুমিই দেবতা আমার সমস্ত আলো জ্বেলে নিকটস্থ হলে'

শতানীক রায়ের দুটি কবিতা
এখন কোনো ভীষণ আনন্দ নেই অথচ আনন্দ আছে। কীভাবে হারমোনিয়াম নিয়ে বার বার ভাবছি।

বোবা অভিমান
পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্ম, কান্নাগুলো ঝুলে আছে খাদের কিনারে ।

ডিসেম্বর
ঘুড়ি বাজিয়ে এলো দোলনায় অভিমান ওড়ে

পুজোর আনন্দ
চারিদিক স্তব্ধ কেবল, আগমনীর আভাস। শত সহস্র শ্বেত শুভ্র –

অন্ধকার আলোর বিপরীতে
বিষন্নতা এক ধরনের অসুখ । সাইরেনের সন্ধিহান সংকেত বেঁধে রেখেছে হারিয়ে যাওয়া দৃশ্যপট ।

পিয়াস রশিদের দুটি কবিতা
আগুন ও ঝোড়ো হাওয়ার পটভূমিতে বাদা-মাটির বুকে কান পাতা জরুরি এ মাটির প্রতি ইঞ্চিতে ছোপ ছোপ রক্তের দলা এখানে জীবন আগুনের মতো জ্বলে

এক রমণীর প্রতি নিবেদন
এক পলকে তোমায় নিয়ে ভাসতে থাকি কাগজের নৌকায়, আর এক ঘুমের পরে মৃত দেশের হাড় ধুলো হয়ে যায়, দৈত্য দানব আগুন রাতে

সমরজিৎ সিংহের হাইকু কবিতা
না-বলা কথা নিরভিমানে আজ গেছে হারিয়ে ।

নিরুপায় গ্রাম
ধানক্ষেতের পাশে ভেজা মাটির পথ, বৃষ্টির পর জমে থাকা জলে দাঁড়িয়ে মানুষ। হাতে বাঁশ, কেউ জাল ফেলছে পানির ভেতরে, কেউবা কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছে দূর থেকে।

বেনামিবাউলের দুটি কবিতা
ওই দেখা যায় জ্বলছে আগুন মায়ের পেটে, নাভিতে জ্বাললো কারা পুড়িয়ে খেতে ভাগা ভাগির দাবিতে।

সাকিল মাসুদের তিনটি কবিতা
আমি যতক্ষণ ততটুকুই সময়ের দৈর্ঘ্য। সেকেন্ড, মিনিট, ঘণ্টা— সবই কেবল বিভ্রম।

এম এ ওয়াহিদের দুটি কবিতা
ক্ষমা করো গাছ পাতা মৃয়মান নদী ক্ষমার যোগ্য হবো ক্ষমা করো যদি বাঁশ পাতা ঝোপঝাড় বাংলার মাঠ ক্ষমা করো রাত জেগে পুথি শ্লোক পাঠ।

দীপ মিত্রের কবিতা
এখনো তোমার ঠোঁটের ডগায়, জ্বলন্ত আধখানা সিগারেটের ওপর বসা-- হাউসফ্লাই জ্বলে যতটা কষ্ট পায়, অতটা না হলেও কিছুটা কষ্ট রয়ে গিয়েছে।