
খোলোস
সূর্যের ফাঁসির পর
সব বিদঘুটে অন্ধকার।
চেয়ে থাকি জানালার প্রতিটা ভাঁজে
কখন পুড়ছে সকাল
কখন পুড়ছে রাত
পুরনো আবাস ছেড়ে
জোনাকিরাও চলে গেল,
চোখের সামনে যখন হত্যা করলো
প্রেম
নিশ্চুপ,নিশব্দ সময়।
কত কিছু বলার ছিল..
কত আবরণ
কত বাহানা,কত প্রার্থনা নিয়ে
বেঁচে থাকার চেষ্টায় মানুষ
প্রকৃতি তার বদলা নেয়,
জীবিত দাফন করে!
আমার কফিনে কয়টা পেরেক প্রয়োজন?
____________
বাহন
দেরি হয়ে গিয়েছে,
পবিত্র বৃষ্টিতে বেড়ে ওঠা বিষাক্ত গাছ
প্লাবিত জোঁকেরা আশ্রয় নিতে ব্যাস্ত।
এ শহরে জন্মেছি,শিখেছি-
কাদা আর ধুলোয় বাঁধা সকল প্রাণ
ডাকছে,
স্বার্থ আদায়ে।
উচ্চারিত কিছু শব্দ
ফেলে আসা শৈশব আকড়ে ধরে রাখতে চায়।
সময় জ্বলছে বেদনা পুড়িয়ে।
মৃত্যুদূত চৌকাঠে দাঁড়িয়ে
লিখতে বসেছি ,
সময় ফুড়িয়ে এলো জীবনের।
_____________________
মানবী
সব সত্য অস্বীকার করে যখন বাঁচতে গেলাম-
চোরাবালির শোক,
হেসে খেলেই পাড়ি দিয়ে ফেললাম।
সমুদ্রের সাথে যার মিলিত হবার কথা,
পথ ভুলে চলে গেল বহুদূর।
স্বপ্ন ছিল-
এক চোখে অসমাপ্ত জলরাশি,
আরেক চোখে আমাকে রাখার।
নতুন উড়তে শিখলো
বেপরোয়া এক ঝাঁক পাখি
পালক জুড়ে রক্ত নিয়ে।
কোনো আদান-প্রদান করছে না কেউ
ভালোবাসার।
করুণ পথ ধরে বয়ে চলছে আশ্রু,
কেউ দেখেনি সে রাতে কি হয়েছিলো।
দেখতে এসো,
গোটা ঘরজুড়ে কি পরিমাণ হাহাকার আর আর্তনাদ।
আমি এমনই,
কাছে টেনো না-
ভেতরটা পুড়ায়ে চলছে নির্লিপ্ত
প্রাণ।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।