
আগুন ও ঝোড়ো হাওয়ার পটভূমিতে
আগুন ও ঝোড়ো হাওয়ার পটভূমিতে
বাদা-মাটির বুকে কান পাতা জরুরি
এ মাটির প্রতি ইঞ্চিতে ছোপ ছোপ রক্তের দলা
এখানে জীবন আগুনের মতো জ্বলে
এখানে বিপ্লব অঙ্কুরিত হবে
যদি স্থির অবস্থানে ভালোবাসো মাটি
আগুন ও ঝোড়ো হাওয়ার পটভূমিতে
মাটির কাছাকাছি থাকা যায়
মাটিই তো ফোটায় শাশ্বত বিপ্লবফুল
মাটিতেই দিকভ্রান্ত সভ্যতার কূল
যদি ভালবাসো মাটি ও আগুনের মতো জীবন
বিপ্লব অঙ্কুরিত হবে
মাটিই তো ফোটায় শাশ্বত বিপ্লবফুল
______________
আমার ভিতরে বিশ্বায়ন
আমার ভিতরে ঘটে গেছে বিশ্বায়ন
আমি শুধু ভাতরুটি দেখিনি
ভাতরুটির ভেতর দেখেছি কৃষকের অস্তিত্ব
দুধের ভেতর গরু ও গোয়ালা
দেখেছি তাঁদের বিমূর্ত মানবীয় শ্রম
দূর থেকেই জঙ্গল গাঢ় অন্ধকার---মস্তিস্কের কোষে কোষে ঢেলেছ রোমান্টিকতার আলো
আজ ব্যর্থ নমস্কারে ফিরে যাও বন্ধু
আমাকে বিশ্বায়ন বুঝিওনা
আমার চেতনিক হাওয়া বয়ে যায়
ঘিঞ্জি বস্তির অন্দরে
ক্ষেতে-খামারে
কারখানার দরজায়
ব্যর্থ নমস্কারে ফিরে যাও বন্ধু
আমাকে বিশ্বায়ন বুঝিওনা
আমার চেতনিক হাওয়া বয়ে যায়
রক্ত ও কবিতায়
পাণ্ডুলিপির পাতায় পাতায়
আমার চেতনিক হাওয়া উস্কে দেয়
বিরুদ্ধ স্রোত বিধ্বংসী ক্ষুধাক্রান্ত শ্রেণির ভিতর;
সাঁকো হিসেবে স্থির শ্রেণি থেকে শ্রেণি।
ক্ষেতে-খামারে
কারখানার দরজায়
ব্যর্থ নমস্কারে ফিরে যাও বন্ধু
আমাকে বিশ্বায়ন বুঝিওনা
আমার চেতনিক হাওয়া বয়ে যায়
রক্ত ও কবিতায়
পাণ্ডুলিপির পাতায় পাতায়
আমার চেতনিক হাওয়া উস্কে দেয়
বিরুদ্ধ স্রোত বিধ্বংসী ক্ষুধাক্রান্ত শ্রেণির
ভিতর; সাঁকো হিসেবে স্থির শ্রেণি থেকে শ্রেণি।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।