
অভ্যাসের হাত প্রথম প্রথম খোঁজ খবর নিয়ে যায়
ভালো মন্দের সৌজন্য আলাপ
পরিচিত গল্পের স্বাদ
ধীরে ধীরে প্রয়োজনীয় কাজের ব্যস্ততা
পার্থিব দেনাপাওনার হিসেব
অচেনা রাস্তা, আনকোরা মুখ
নিজের সঙ্গে হুট করে বন্ধুত্ব হয়ে যায়
দূরত্ব বাড়ে প্রিয়জনে
মরচে পড়ে ডাকবাক্সে
মাঝে মাঝে
পুরোনো চিঠির গন্ধে
নাছোড় কিছু স্মৃতি
ক্ষণিকের উদযাপন
অভিকর্ষের টান ধীরে মুছে গেলে শেষে
উজ্জ্বল হয়ে ওঠে অজস্র নক্ষত্র
তারাদের কোলাহলে আকাশগাঙে
নিকষ অন্ধকার
সব হারানো একটা মৃত তারা
তখনও যার অন্ধ-চোখে মৃত্যু যন্ত্রণার তীব্র রেশ
মহাকর্ষজ হাহাকারে শুষে নিচ্ছে আলোর শেষ বিন্দু
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।