
ঘুড়ি
বাজিয়ে এলো
দোলনায়
অভিমান ওড়ে
দুদিনের যাপনে এত
হাল্লাবোল?
যে নৌকায়
পেরোনো যেত ঘাট
সেখানে
ডিসান হাসপাতাল
ছোট গলি
টোটো গলি
জীবনদায়ী
নার্সিংহোমের চোখে মুখে
কি আশ্চর্য সরলতা
কিউট নার্স
পশলাপাত
ডিসেম্বরের ওয়েদারে
ক্রীসমাস
খুঁজতে গিয়ে
আবিষ্কার করি
প্রেমে পড়েছি
পাঁচ বছর আগে
পৃথিবী এমনই ছিলো
লাটাইতে উড়ন্ত
প্রাগৈতিহাসিক আমি
চোখ খুলে দেখিনি
হাত ধরলেই পার হওয়া যায়
শুধু শক্ত করে ধরে নিতে হয়
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।