কবিতা
সকল পোস্টসমূহ

নীলাব্জ চক্রবর্তীর দুটি কবিতা
নির্মীয়মাণ একটা ভাঙচুর অর্থাৎ ক্রস করছে দূর বন্দরের কাছে সেই সিজরিং স্টেয়ারকেসজোড়া মনে পড়বে

দুর্জয় দাসের দুটি কবিতা
অর্জন বলতে এটুকুই।মেহফিল ছাপিয়ে উঠছে রাত।রাতকানা সন্ধ্যার ভুলাইয়া।

তানহিম আহমেদের দুটি কবিতা
উড়ছে তালপাতার সেপাই এলবামের নিলয় ছিঁড়ে ছবিতাও ছুটিতে গেছে

শৌভিক দত্তের দুটি কবিতা
সদ্ব্যবহার করা দোলনার চারদিকে ঘেরা হাত দুলছি, নামতে পারছি না নামলেই পাথর লিখে ফেলবো,

সঙ্গীতা মাইতির দুটি কবিতা
তোমার কানে দিলাম নপূরের নিক্কণ, কণ্ঠে কবিগানের ধুয়া তারপর হারিয়ে গেলাম মেঠো পথের ঘ্রাণে

এমরান হাসানের দুটি কবিতা
আউশের ঘ্রাণ লেপ্টে আছে জলের শিথানে। পালাবদলের সুর বৃষ্টির রেশ দেখে যায় অলৌকিক বিভায় অথবা জৌলুস ঘিরেছে তাকে আহত বিম্বের মতোন শিলালিপিতে লিখে যাওয়া অনিশ্চিত অন্ধ ঘোর-ঘরানা যেমন।

কাশফুল
কাশবনেতে কাশ ফুটেছে - তুমি সত্যিই মনোরম! কে যে তোমার পিতামাতা? তারাই বা কেমন?

শূণ্য থেকে শুরু
মিথ্যে বুজরুকি আর অতিনাটকীয় এজলাস জিএসটি তে নাক উঁচু তবু কবজকুণ্ডলে গর্ব। পাবলিক খাচ্ছে ভালো দু টাকায় পেটে লাথ বোঝা কি বড়ই দায় শ্রী না হতশ্রী ?

দহন
আমাকে ভালোবাসেন? হ্যাঁ।ভীষণ... কেনো? ইচ্ছে হয় তাই।

বিভৎস যুগপৎ
শিয়ালের গর্তে হাত ঢুকিয়ে বাচ্চা বের করে আনো ওখানেই দূরবীন শাহ্ রোমা রঁল্যার সাথে বিশ্রাম নিচ্ছেন, স্টার থিয়েটারের থেকে বেরিয়ে আসছে উদ্দেশ্যহীন কিছু মুখ,

উমাপদ করের কয়েকটি কবিতা
হলো না, হয় না, যেমনটা জল চায়, ধর্ম মানে, সংসারটাও করে একই থেকে যায় ভৌত বা রসায়নে জঙ্গম ছাড়া বাতাস পারে না।

অ-সময়ের কবিতা
প্রতিটি আন্দোলনের ভেতর গর্জে উঠছে লকলকে জিভ। ক্ষুধার্ত সময় মানুষ দেখছে । ক্ষুধার্ত সময় মাংসের ভেতর খুঁচিয়ে আঁকছে তির্যক নখের আদর।

পিয়াল রায়ের দুটি কবিতা
তুমিও পালিয়ে বেড়াও আমিও পালিয়ে বেড়াই পালাতে পালাতে একদিন ঠেকে যাবে পিঠে দুজনের পিঠ

উদয় সাহার দুটি কবিতা
তাড়া নেই। ঘড়ির উল্টো দিকে পথ চৈত্রে সামান্য তেলে নিমপাতা ভাজা দুয়ারে গোধূলি। বুকে বড়ো ভয় ওঠে প্রসাধন মানে জানি বোরোলিনে সাজা

এরশাদ হোসেনের তিনটি কবিতা
তিস্তা, আজ তোমায় লিখতে বসেছি পানির নিচে চাপা পড়া আমাদের ঘরের নামে। তুমি তো জানো— আমার বাবার সোনালী ধান কীভাবে তোমার হঠাৎ ক্ষুধায় তলিয়ে গিয়েছিল এক বর্ষায়।

সাদা ঘোড়া
এ মুহুর্তে শুক্রবারের শোভা ক্রমশ আয়ু ঘেঁসে , অমনোযোগী একটা সহজ কথা কী করে বুঝে যাও ? ফুসকুড়ি রঙের ডালিমে পা দিয়ে রাত্রির পরিসীমা গুণে!

স্মরণে
জোড়াসাঁকোর প্রাসাদ থেকে, নিকেতন যেথায় শান্তি। রাখি বন্ধন সূচনা করে, আলিঙ্গনে সৌভ্রাতৃত্ব।

সৌভিক দত্তের দুটি কবিতা
গান ভাঙছো নদীর অথচ নদীর কোনও কৌতূহল নেই গান ভাবছো নদীর অথচ নদী চুপ করে আছে এসব ছড়াতে ছড়াতে

এক গুচ্ছ ধান
ঘাস ছিলো আমাদের যাতায়াতের পথে বিছানো অনেকগুলো দীর্ঘশ্বাস পাড়ি দিয়ে দেখি আমরা হেঁটে চলেছি সমান্তরাল রাস্তায় আমাদের আর কোনোদিন দেখা হবেনা

নীলাব্জ চক্রবর্তীর দুটি কবিতা
শরীরের ভেতর জমে যাচ্ছে কথা-অমনিবাস এই ক্রিয়া ক্রমে ঘ্রাণ হয়ে স্নায়ুতে বারবার রাবারছাপ ফ্রিজ হচ্ছে স্বাদু লংশট স্লো মোশানে আঙুল পড়ে নি

রুবেল মণ্ডলের দুটি কবিতা
ছোট্ট মেয়ে আমার হাতদুটো চেয়েছিল, তারপর চোখ... সে চেয়েছিল— রক্তাক্ত অবস্থায় আমি যেন সেগুলো তুলে দিই তার হাতে।

দুটি কবিতা
মাটি ভাঙ্গি তোমাকে গড়ি গড়া আর গড়িয়ে ফেলায় কৌশল আছে, চোখের বিন্দুতে দাঁড়ালে সযত্নে তোমাকে ভাসাই....

দুটি কবিতা
তালাভাঙার রহস্যে আমার নাম নেই সোনামুখী ভাতের তদন্তে ঢুকে পড়েছি চোখের গণিকারা পূণ্যের দিকে চলে যাচ্ছে

দুটো কবিতা
কারা যেন ফিরে যেতে চাইছিল ড্রোন আরও উঁচুতে উঠে যাচ্ছে শরীর এত ছোট মনে হচ্ছে তবু যতটা সময়, চোখ নিতে পারে আমার শার্টের রং আয়তের বিন্দু খানেক দেখি, দেখি শেষ বিন্দুটি মাত্রই অতএব যারা ফিরে যেতে চাইছিল অমীমাংসিত