
প্রার্থণা
তোমার কানে দিলাম নপূরের নিক্কণ,
কণ্ঠে কবিগানের ধুয়া
তারপর হারিয়ে গেলাম মেঠো পথের ঘ্রাণে
খুঁজলে আমাকে আগুনে ও আয়ুতে
খুলে ফেলে কঠোর নিয়মের বল্কল
শেষে দাঁড়ালে এসে ঈশ্বরের দ্বারে
হাত পাতলে যেন রোজের পাওনাদার
ঈশ্বর ছল করে নামিয়ে রাখল চোখ
এইভাবে দামাল ভালোবেসে
নিত্যপূজার আসন হয়ে গেছে কত লোক !
________
দৃশ্য
পাখির মৃদু গান বৃষ্টিতে ভিজে চিহ্নহীন
নিজস্ব সত্তার কাছে হৃদয়ের এইটুকু ঋণ।
খরকুটোর মতো ভেসে বেড়ায় অস্তিত্ব
শুকনো ফুলের মালা লুটায় বনপথে
অনেক মৃত্যু নিয়ে অপেক্ষা শুধু ঝরে
দৃশ্যফল কুড়িয়ে রাখি তটে।
গোধূলির বাঁশি বাজে
অচেনা পথে নদীটি বেঁকে যায়
হাঁসের ডিমের উষ্ণতা ছুঁয়ে কে আসে নিঃশব্দে?
হৃদয়ে
র আঙিনায় জ্যোৎস্নার ধুনি জ্বালায়।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।