
ক)
অর্জন বলতে এটুকুই।মেহফিল ছাপিয়ে উঠছে রাত।রাতকানা সন্ধ্যার ভুলাইয়া।অক্ষরে আপন কোনো আলাপ শোনালো।অল্পাঅল্পি।ভেজা বন্দরে তার গান খুলেছি বর্ষার।চিরন্তন আবহ ম্যাপ।রা কাড়ছে আমার ছেলেটা।অনিমিখ ছুঁয়ে শৈশব ফালা ফালা হচ্ছে অবিরল।
_________
খ)
অনেক কিছুই লিখতে পারি না।শোনালো অক্ষর তার কারুকাজ।ঘুমের অলিন্দ বরাবর।সমাহিত চোখের ঝলকানি।এটুকুই হয়ত পাওয়ার ছিল।বন্দরে অপেক্ষা করছিল মরা চাঁদ।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।