
সলিটারি সেলের জানালা দিয়ে দেখা
উড়ছে তালপাতার সেপাই
এলবামের নিলয় ছিঁড়ে ছবিতাও ছুটিতে গেছে
ডানা কাটা অধ্যাপক
ডানা কাটা মানুষ নিয়ে
বিচিত্র আমাদের পৃথিবী
হাতির দাঁতের কারুকাজে অনিন্দ্য
আকাশে কোনো ঘুড়ি নাই
মেঘের আঙুলে হীরার আংটি
ঝলকে ঝলকে সন্ধ্যার কিছকামিকে অন্ধ করে দেয়
কেন পাখিদের হাত ধরে কখনো
হাঁটা হয় না আমাদের?
দিগন্তের সঙ্গে একটা যৌথ-ছবি
পারি না রাখতে ধরে?
দুঃখ লাগি পাথুরে আঁখি ঝুরে
__________
ব্লু আওয়ার
আমাদের দুঃখ অবুঝ শিশু
আগুনের রিং গলিয়ে তুলে আনে ধাইমার হাত
কাঁদে জলহীন করুণ কান্না
কী-বা সুলুক কী-বা হেতু তার, অজানা
ধরতে যেয়ো না তারে, ভুতু
নখে তোমার ফুটছে রক্তজবা...
বহু লেমোনেড পান করে
যারা ওকে চিনতে চেয়েছিলো
মিথ কয়
হারিয়েছে তো
কোন সে ব্লু আওয়ারে
শ্যামদেশীয় মারমেইডদের সঙ্গে
সবুজ সমুদ্রে
ওরা সব্বাই মারা পড়েছে জানায় লোক
শ্রুতি, তাই
আমার নামহীনা দুঃখ আমি ছুঁতে না চাই, আঃ নেবো বুঝে তার ওম!
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।