
নদীবাঁধ
তালাভাঙার রহস্যে আমার নাম নেই
সোনামুখী ভাতের তদন্তে ঢুকে পড়েছি
চোখের গণিকারা পূণ্যের দিকে চলে যাচ্ছে
আমার স্থির বিশ্বাস
বাজার বসেছে আমার গভীরে
সমুদ্রে নেমেছে অবাক জাহাজ
তাদের তীব্র পাপবোধ
তাদের বিজ্ঞান সম্মত ভালোবাসা
অল্প তফাতে দাঁড়িয়ে
তোমার নদী হতে ইচ্ছে করছে
আহত রাস্তা বোঝাপড়া চাইছে না কিছুতেই
ভাত ও ঈশ্বর
ভেড়াগুলো চাঁদের দিকে যাচ্ছে। মাটিফুঁকে শূণ্য পরবর্তী একটা মসনদ। বিধানসভায় ধরা পড়েছেন ঈশ্বর। আশা ছিল, গাছ পরবর্তী অধ্যাদেশে কখনও ভাতের কথাও উঠে আসবে। অধ্যায় চিনতে চিনতে আমাদের জলকামান তলিয়ে গিয়েছে। রূপকথার প্রকাণ্ড হাঁ গিলে নিয়েছে পাখিদের। আমরা সিংহবাহিনী হয়ে বসে আছি। যতোদূর যাবার কথা ছিল পায়ের, পথ ততোটা ছিল না। নাছোড় ভেড়াগুলো চাঁদ গুণতে পারে না, মাংসের গন্ধে আনচান হচ্ছে সুখ, ত্রিমাত্রিক ভেড়ার দিকে ঈশ্বর রুটি ছুঁড়ে দিচ্ছেন, বলছেন, বর্ষা অধিবেশন শুরু হওয়ার আর খুব দেরী নেই, সুস্থ হয়ে উঠবে হাসপাতাল ও নিরন্ন ট্রাফিক।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,