
গান
গান ভাঙছো নদীর
অথচ নদীর কোনও কৌতূহল নেই
গান ভাবছো নদীর
অথচ নদী চুপ করে আছে
এসব ছড়াতে ছড়াতে
তোমার নি:শ্বাস মেপে নিচ্ছে গাছ
চারদিকে কান্নার প্রচুর আলো
তুমি পাখির কথা একবারও ভাবোনি
একবারও জল ওঠেনি নৌকোয়...
___________________________
জিরাফ
পাঠ্যশাস্ত্র গোপন রেখেছি। ছবির তিরতিরে কোনও নদী। তার তোরঙ্গ থেকে স্নান বেরিয়ে এসেছে। কুমারী জোৎস্নার ছায়া এখানে নেই। লোহার বাক্সের দিকে শীতগুলো গড়িয়ে গিয়েছে।
প্রৌঢ় সন্ধ্যারা এসেছে। জিরাফের কথা তাদের মনে নেই। বরফ কামড়ে তোলা অক্ষরের নিচে সার সার জিরাফ দাঁড়িয়ে পড়েছে। ম্যাণ্ডোলিনে তাদের ভয় হয়, তাকঝাঁকে নীরব হচ্ছে সমুদ্র।
তালার অবাকে মাকড়সা রফতানীর কথা এলো। ধারণাবোধ হারিয়ে চাবিরা কতোদূর গড়াবে, সিলেবাসের টাটকায় তা নেই। পেশাদার দাঁতে সময়ের টুকরোগুলো এসেছে নদী নামিয়ে বাড়ি যেতে যেতে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।