
স্মরণে
জোড়াসাঁকোর প্রাসাদ থেকে,
নিকেতন যেথায় শান্তি।
রাখি বন্ধন সূচনা করে,
আলিঙ্গনে সৌভ্রাতৃত্ব।
পত্রাবলীর বাহার,
ছিন্ন পত্রের ভান্ডারে।
সত্য-সুন্দর-প্রকৃতি-জীবন,
যেখানে রয়েছে মিলে মিশে।
ঝুলি ভরা গল্পগুলি,
গল্পগুচ্ছের অট্টালিকায়।
নানান রকম অভিজ্ঞতা,
পড়ে পাঠক হৃদয় ভরে।
অবলা সব গৃহবধূ,
গৃহের পীড়িত লক্ষ্মী।
রইলো না আর কুলুপ পেতে–
মৃণাল হয়ে উঠল গর্জে।
প্রকৃতির সম্ভার হাতে,
বিশ্ব মাতার পুত্র।
সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল।
সে মননের দ্বারস্থ।
সোনারতরী বয়ে চলে,
নানান স্থানের পটে।
সঞ্চয়িতা মালা জপে
সঞ্চয়ের গহ্বরে।
সূর্যের মত শ্রেষ্ঠ,
ঠাকুর বংশোদ্ভূত।
তাঁর তেজে মুগ্ধ হয়ে,
সকলে আপ্লুত।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।