
প্রকল্প আত্মহত্যা
ইদানীং রঙ থেকে চিলতে সাবানখোদাই।
ভাবনাকে পুষতে পুষতে জামদানী কাঠের
চেয়ার। এলো। ছয় ছয়কারী গুলিয়ে ফেলছি অনেকদিন। তাঁবুর হররা ফেলে হাসিনির্মিত এই পালকখোঁজা। আতিপাঁতির উপন্যাসে ভেজাপাখি নামিয়ে রেখেছে কেউ। রেখেছে শুনানীর বাইরেও চোখের কিছু দস্তাবেজ। সহিসমাত্রায় ঘোড়াদের আসা যাওয়া। গতমৃত্যুর এই সরাইখানায় কাগজের পিঠে চাবুকের মতো ঝরে পড়ছে অক্ষর। ঈশ্বর শীতল হচ্ছেন ক্রমশঃ।
ঘুম আসছে, ঠাণ্ডা ও নিশ্চিত, আত্মহত্যা প্রকল্পে বৃষ্টি ভরছেন ঈশ্বর, সরিয়ে দিচ্ছেন ডালপালা, দৈববাণী, পূজাবার্ষীকির ঢাল।
_______________
খাঁচা
থাকার কথা নয়, তবু
কিছু তো থাকেই
মুছতে গেলে ভুল
সরে যেতে পারে
আর ফিসফিসের তীক্ষ্ণতায়
যে নাম
তুমি লিখতে পারো না
তোমার আলোকুশলে
ছিমছাম পাখিরা এসেছে
মেঘ নামিয়ে ফিরে যাচ্ছে পাহাড়
বৃষ্টির খাতা খুলে বসে আছো
কোনও এক অচেনা কবিতা
পড়ছে তোমায়…….
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।