
ধানক্ষেতের পাশে ভেজা মাটির পথ,
বৃষ্টির পর জমে থাকা জলে দাঁড়িয়ে মানুষ।
হাতে বাঁশ, কেউ জাল ফেলছে পানির ভেতরে,
কেউবা কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছে দূর থেকে।
ছোটরা দৌড়ে আসে, বড়রা দাঁড়িয়ে গল্প করে,
কেউ হাসে, কেউ নির্দেশ দেয় কেমন ধরতে হবে মাছ।
আকাশে মেঘ ভারী, তবু সকালের আলোয়
সবুজ মাঠের রং যেন আরও গাঢ় হয়ে উঠেছে।
রাস্তার ধারে মোটরসাইকেলের গতি থেমে যায়,
চোখে ভেসে ওঠে গ্রামের জীবনের সরল আনন্দ।
এই মিলন, এই হাসি, এই ব্যস্ততা
প্রকৃতির কোলে মানুষের সবচেয়ে সৎ ছবি।
সৎ সাধু বুঝিনা আমি!
সত্যি কি বুঝিনা?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।