
নৈঃশব্দ্য বিষয়ক
অকালসন্ধ্যা যেন লেগেছে ব্রহ্মাণ্ড জুড়ে
অজস্র নক্ষত্রের চোখ ঝুলে আছে
তবু আমরা সেজেছি অন্ধ বাউল
কে ওড়ায় শ্বেত পতাকা?
একা একা ঘুরে বেড়ায় হৃদয় শ্মশানঘাটে
নিদ্রামগ্ন রুগ্ন পঙ্গু ছায়াকে বলি--আত্মহত্যা করো,
তোমার তো অস্থির হরিণ নেই!
তবে কেন বসে থাকা নৌকার গলুইয়ে
চেয়ে চেয়ে সব পূর্ণিমা ঝাপসা দুলে ওঠে।
নিজেকে শোনাই-- সাপের চলার শব্দ,
কতটা নির্জন হলে কক্ষচ্যুত হয়ে যায় দুটো বা একটা মানুষ।
_______
চন্দ্রাতপ
জলে ভাসছে হরিদ্রাভ চাঁদ
তার সাথে ভাসছে নৌকা, নুন, দুঃশ্চিন্তা
জোনাকি মুহুর্মুহু জেগে উঠছে কৌতুকে
কথা বুনছে রাত আর শব্দ থেকে
গড়িয়ে পড়ছে বনফুলের শয্যা।
মৌমাছি লুকিয়ে রাখছে মধু-
বিক্ষুব্ধ চোখ থেকে জনশূন্য নগরীতে
নেই তীব্র প্রেমের জোয়ার
এত শান্ত ঝড়ের মাস
তবু স্পর্ধা রূপানুরাগে !
নিরস্ত্র পাখির পালকে
ভেসে যাচ্ছে মেয়েমন
ঘুমন্ত নগরী, জাগ্রত দেবালয় থেকে
চুরি করে ওম, জ্বেলে দিচ্ছে অগাধ বিশ্বাসে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।