ব্লগ
সকল পোস্টসমূহ

অনলাইন আসক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানবতার সংকট
২১শ শতাব্দীর মানুষ যেন এক অদ্ভুত দ্বৈতজগতে বাস করছে- একদিকে প্রযুক্তির বিস্ময়, অন্যদিকে মানবতার নিঃশব্দ মৃত্যু। আমরা আজ আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি সংযুক্ত, তবুও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি একা। চোখে স্ক্রিনের আলো, কানে নোটিফিকেশনের শব্দ, কিন্তু মনে নিঃসঙ্গতার অন্ধকার।

মিরাতুন নিসা ও কালনবিশ
কেউ গেয়ে ওঠে না হৃদয়ের গান। বৃষ্টি থামে, ছাতা নিয়ে বাড়ি ফেরে চরম সুবিধা ও জননেতা

প্রস্থান
বিকেল হয়ে এলে সন্ধ্যার আগে আগে একদিন— বাসনা নিয়ে, অনন্ত উপেক্ষা নিয়ে হাসতে হাসতে ঘুমিয়ে যাবো। সারা রাত জেগে থাকবো দুঃস্বপ্নের ভেতর।

ফয়জল অমির তিনটি কবিতা
সূর্যের ফাঁসির পর সব বিদঘুটে অন্ধকার। চেয়ে থাকি জানালার প্রতিটা ভাঁজে কখন পুড়ছে সকাল কখন পুড়ছে রাত

অর্ঘ্য রায় চৌধুরীর দুটি কবিতা
বিকেলের আলো পড়ে এলে আমাকে পাবে না আর বালকের দল যেখানে খেলতে গেছে সেইসব মাঠে আমিও তাদের সঙ্গে সামিল হবো

আগমন
একটা বিকেল, অনেক না বলা কথার পাহাড় -- বারংবার। ঝকমকে রোদ্দুর,

মহাজাগতিক মৃত্যু
অভ্যাসের হাত প্রথম প্রথম খোঁজ খবর নিয়ে যায় ভালো মন্দের সৌজন্য আলাপ পরিচিত গল্পের স্বাদ

দেওয়াল
দ্রুততম বর্বরতার জীবন - জনশূন্য! অসম্ভব ব্যস্ততা; অজগরের মত লম্বা সোশ্যাল মিডিয়ার ওয়াল - জনহীন,

শিপু'র ঘর-সংসার
বাইরে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি, ঘরে বসেই ভিজে যাচ্ছে শিপু।বাইরে ঝমঝমিয়ে জোছনা। শিপু জোছনা পেতে স্বপ্ন দেখে দোতালার বারান্দায় দুলছে দোলনা।

পিয়াল রায়ের দুটি কবিতা
যখন স্নান সেরে আসি মনে হয় ভোরের আলোর মতো জড়িয়ে ধরি তাকে কপালে চুমো দিই, নাক ঘষে দিই নাকে শরীরে হাত রেখে বলি, 'আজ থেকে তুমিই দেবতা আমার সমস্ত আলো জ্বেলে নিকটস্থ হলে'

শতানীক রায়ের দুটি কবিতা
এখন কোনো ভীষণ আনন্দ নেই অথচ আনন্দ আছে। কীভাবে হারমোনিয়াম নিয়ে বার বার ভাবছি।

সম্পাদকীয়
সময় বয়ে চলেছে, আমরাও চলেছি । তবে সভ্যতার দিকে নয় সভ্যতা থেকে দূরে, আমাদের অন্তিম কালের মৃত্যু শয্যায়! যে চলা প্রকৃতি থেকে আমাদের দূরে সরিয়ে নেয়, ব্রহ্মাণ্ডের সঙ্গে হারিয়ে যায় যোগসূত্র তাকে আর যাইহোক সভ্যতা বলা যায় না।

বোবা অভিমান
পরিত্যক্ত প্ল্যাটফর্ম, কান্নাগুলো ঝুলে আছে খাদের কিনারে ।

ডিসেম্বর
ঘুড়ি বাজিয়ে এলো দোলনায় অভিমান ওড়ে

পুজোর আনন্দ
চারিদিক স্তব্ধ কেবল, আগমনীর আভাস। শত সহস্র শ্বেত শুভ্র –

অন্ধকার আলোর বিপরীতে
বিষন্নতা এক ধরনের অসুখ । সাইরেনের সন্ধিহান সংকেত বেঁধে রেখেছে হারিয়ে যাওয়া দৃশ্যপট ।

শিবুর মেয়ে
পূর্ব আকাশে রক্তিম রবি উঁকি দিচ্ছে টুকরো মেঘের আড়াল থেকে। সেই নরম প্রভায় নদীর ধারে দোদুল্যমান রূপলি কাশফুল গুলো যেন সোনালী আভায় সেজে উঠেছে। বাড়ির পাশের নদীর স্রোতধারা অচেনা কোন সুরে গান গাইছে, যেন দেবিপক্ষের সকালে আগমনীর স্বাগত বার্তা।

পিয়াস রশিদের দুটি কবিতা
আগুন ও ঝোড়ো হাওয়ার পটভূমিতে বাদা-মাটির বুকে কান পাতা জরুরি এ মাটির প্রতি ইঞ্চিতে ছোপ ছোপ রক্তের দলা এখানে জীবন আগুনের মতো জ্বলে

এক রমণীর প্রতি নিবেদন
এক পলকে তোমায় নিয়ে ভাসতে থাকি কাগজের নৌকায়, আর এক ঘুমের পরে মৃত দেশের হাড় ধুলো হয়ে যায়, দৈত্য দানব আগুন রাতে

সমরজিৎ সিংহের হাইকু কবিতা
না-বলা কথা নিরভিমানে আজ গেছে হারিয়ে ।

নিরুপায় গ্রাম
ধানক্ষেতের পাশে ভেজা মাটির পথ, বৃষ্টির পর জমে থাকা জলে দাঁড়িয়ে মানুষ। হাতে বাঁশ, কেউ জাল ফেলছে পানির ভেতরে, কেউবা কৌতূহল নিয়ে তাকিয়ে আছে দূর থেকে।

বেনামিবাউলের দুটি কবিতা
ওই দেখা যায় জ্বলছে আগুন মায়ের পেটে, নাভিতে জ্বাললো কারা পুড়িয়ে খেতে ভাগা ভাগির দাবিতে।

সাকিল মাসুদের তিনটি কবিতা
আমি যতক্ষণ ততটুকুই সময়ের দৈর্ঘ্য। সেকেন্ড, মিনিট, ঘণ্টা— সবই কেবল বিভ্রম।

এম এ ওয়াহিদের দুটি কবিতা
ক্ষমা করো গাছ পাতা মৃয়মান নদী ক্ষমার যোগ্য হবো ক্ষমা করো যদি বাঁশ পাতা ঝোপঝাড় বাংলার মাঠ ক্ষমা করো রাত জেগে পুথি শ্লোক পাঠ।