
০১.
নদীতে পলির ধ্বনি, সারারাত স্রোতের আঁচড়
মেঘেরা শিথিল ঘুমে, উপকূলে হাওয়া মন্থর;
যেখানে থেমেছি আজ, কতকাল সেখানে ছিলাম?
মাটির গহনা দেশ, করেছিলো বেনিয়া 'নিলাম'!
মাটি এক শিশুকন্যা, কোলে ধরা মায়ের ভূমিকা!
মুকুন্দ রায়ের গীতি, কোনোদিন আসে ভুসুকুপা;
নির্জন পাকুড়তলা, পটে আঁকা গাঁয়ের মতন;
আমি সেই নির্জনতা, বুকে নিয়ে একক জনম
সেখানে কবিতা লিখি, বুকে ঢেউ মেঘনা সমান।
একা নই চর্যা আছে, খনা ষঢ়ঋতু বাতলান!
০২.
একটা পিঁপড়াবংশ হেঁটে গেছে এই রাস্তায়, সারাদিন মেঘ বাতলে দিয়ে আকাশটা ফর্সা হলো- এই পথে অক্টোবরের হাওয়া কুঁড়ি ঝরানোর শব্দ শুনছে গাছে; কারো স্মৃতি রক্তজমা চোখ, কারো ঘুম শ্লেট পেয়ে লিখে রাখে শৈশব আর সব কাতরতা ফিরে পেতে মাতৃগর্ভ আবার; যত দূর ছেয়ে আছে দূর্বা-ধানে, অতল কাজল দেগে মহাশূন্য অতখানি জানে নাকি জ্বরের চাহনী লাল?
অভিন্ন বর্ণমালার ভিতর আমাদের যুগল ফটো
এভাবে বার্ণিশ ওঠা কাঠের টেবিলে আজ
উজ্জ্বল ও উদগ্রীব, যেন প্রেম বিস্মৃত ঘাই হয়ে আসে এই পথে, নক করে দরোজায়!
কাল থেকে একটা বৃত্তের মধ্যে বসে থেকে আমিও ছত্রভঙ্গ, পায়ে পায়ে ঘুরঘুর করছে সিঁড়ি, আমি উঠতে পারছি না!
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,