২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
বটগাছ আর পাখি

একটা বটগাছের সাথে একটা পাখির খুব ভাব।খায়, দায় আর বটগাছের মাথায় চেপে বসে থাকে,গল্প করে আকাশের গল্প, ডুবে যাওয়া সূর্যের গল্প, ভোরে ওঠা সূর্যের গল্প।বটগাছের মাথার জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করে দেয়, ডালে মাথা এলিয়ে ঘুমায়।তারপর এলো শীতকাল, কুয়াশার শীতকাল।কুয়াশায় মানুষ নিজের মানুষকেও ভরসা করে না,পাখিও। উত্তাপ কমে যেতে মানুষরাই পাশে থাকে না আর পাখির তো ডানা আছে। চাইলেই উড়ে যেতে পারে।
তাই হল শেষে, এক কুয়াশার ভোরে পাখিটা উড়ে চলল নতুন নীড়ের খোঁজে, নতুন পাহাড়, নতুন নদী, নতুন সমুদ্র ডিঙিয়ে.... চলছে তো চলছেই।
আর এদিকে গাছটা বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে শ্যাওলা জমালো শরীরে, পরজীবিরা ঘর বানালো। পাখিটা যে ডালটায় বসে থাকতো, সে ডালটায় গর্ত হতে হতে কোটর তৈরি হল। একটা, দুটো, তিনটে, চারটে অনেক অনেক কুঠুরি । অন্ধকার সব কুঠুরি, তবে আশ্রয় নেওয়া যায়, মানুষের ফাটলগুলির মত।
আশ্রিতরা জমা হল, লাল শরীরের পিঁপড়ে, কালো শরীরের পিঁপড়ে।একটা রাত্রিজাগা লক্ষ্মীপেঁচা, কাঠুরে কাঠঠোকরা, দুমুখো সাপও।
সম্পর্কের উত্তাপ শেষ হয়ে গেলে মানুষ পরিযায়ী পাখি হয়ে যায়।অবস্থান পালটে নেয়। আর কিছু মানুষ গাছ হয়ে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকে শেষ অবস্থানে।
বয়সের ঝুড়ি নামে বুক থেকে। মাটিকে ভালোবাসতে শুরু করে আর অপেক্ষা করে।অপেক্ষা করতে করতে অনেক বছর চলে যায়, গাছটা বৃক্ষ হয়ে যায়। তখন গাছটা বেঁচে থাকে বটে, তবে ভালোবাসতে ভুলে যায় নির্ঘাত।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪