হিমাংশু রায়
সকল পোস্টসমূহ

কাফন
শালকুঞ্জের বিপরীতে এম বি এ ডিপার্টমেন্ট তার পাশে একটা ছোট্ট নালা, কিছু ছোটো ছোটো গাছ, হাঁটু ভেজার মত জল।দুপুরবেলা, প্রচন্ড রোদ,গাছের ফাঁক দিয়ে রোদ চুঁইয়ে পড়ছে । দুজন মধ্যবয়সী মহিলা কাঠের বোঝা পায়ের কাছে নিয়ে রাস্তার দিকে তাকিয়ে । চোখ মুখে বয়সের সমান্তরাল দাগ। চুঁইয়ে আসা রোদের আলো, বয়সের দাগ আর বিষন্নতায় ভরা মুখ । বোধন সাইকেল চালিয়ে ঘোরাঘুরি করছিল, রাস্তায় উঠতেই চোখাচোখি হল।দুটি মহিলার মধ্যে একজন বললেন

বটগাছ আর পাখি
একটা বটগাছের সাথে একটা পাখির খুব ভাব।খায়, দায় আর বটগাছের মাথায় চেপে বসে থাকে,গল্প করে আকাশের গল্প, ডুবে যাওয়া সূর্যের গল্প, ভোরে ওঠা সূর্যের গল্প।বটগাছের মাথার জঞ্জালগুলো পরিষ্কার করে দেয়, ডালে মাথা এলিয়ে ঘুমায়।তারপর এলো শীতকাল, কুয়াশার শীতকাল।কুয়াশায় মানুষ নিজের মানুষকেও ভরসা করে না,পাখিও। উত্তাপ কমে যেতে মানুষরাই পাশে থাকে না আর পাখির তো ডানা আছে। চাইলেই উড়ে যেতে পারে।