
অখণ্ড খণ্ড ও আংশিক
ডালপালা কেটে যাওয়ার পর অখণ্ডতা আমার পরোয়া করে না। কোথাও দশদিক নেই। হাতের বালকে অরণ্য ফুরিয়ে আসে। এই অশক্ত শীতে ভুলে যাওয়া কোনও ডুবোজাহাজ খুলে সম্মোহণগন বেরিয়ে এসেছে। পদাতিক গণিতে রাখা ভীড়ের ছররা কিছু। পতাকাগলিতে। অংশগ্রহণে আমার ভালোবাসা ফেটে যায়। নিরক্ষ জানালা ছাপিয়ে এই অক্ষৌহনী ঘুম। সন্দেহের বেজে ওঠা ঘুঘু ভিত চেনে। কাপড়ের মতো বিবেক বিক্রী হয়। আর দর্শক যখন কার্যত পোশাক, এই সার্কাসের দেশে, ক্রমে আসা আলোয় নিভু নিভু চিঠি আসে, স্মৃতি থেকে রাস্তা পড়ে যায়।
_______
রুহগান
রুহ থেকে যখন মুসলসল উঠে আসছিলাম,
আঁজলা গোদাবরী থেকে ফিরনি চাঁদনীতে, দেখলাম ফুরসত বেরিয়ে পড়েছে, বেরিয়ে পড়েছে স্নান ভাঙ্গা অনার্য, খোদা খোদা শ্রমিক সাঁতার, আর রক্ষণ আমি ভাঙতে পারিনি, খাঁচার বাইরে রাখা ঐ সলতনত, মরুভূমির বন্দিশে ঐ তন, গয়না ফুরোনো ছায়ার ওই অলৌকিক চাবি, ফুরোনো তালায়, চকবন্দী ঘরে ঘরামির আমিঘড়ি ডুবুডুবু, যখন রাত এক অবাক চৌহদ্দির ইচ্ছাপোষণ, শাণিত শোণিতে ঝুঁকিপূর্ণ মায়া রেখে বুঝি, দায়িত্ব থেমে আছে প্রথায়, কোথাও চোখের নামগন্ধ লেগে নেই।
_____________
নাভিমাতৃক
অনুবাদযোগ্য বরফে যে ট্রেন কাঁচকে আলো পড়াতে পারে, অবাক হ্যাঁচকায় সিদ্ধান্ত যখন অনুগামী, আর পিছলে যাওয়া লালখামে হাসপাতাল বন্দী সার্জারী ও সময়ের আগে দৌড়ে যাওয়া ঘোড়া, সবুজের চাষবাসে বৃক্ষ থাকছে না কোথাও, অদ্ভুত দ্রাক্ষারস সেলাই করা সেতুতে রাখা সার সার চাঁদমারি, অক্ষর বোঝাই জুমচাষ,নাভিমাতৃক ফসলে তরজার ব্যারিকেডই এখানে চূড়ান্ত নয়, গ্রাম ভরে আসে শহরের, ফুলফলের মায়া হয়, ছাপোষা দরজায় কেউ দাঁড়িয়েছে, কেউ আসবে বলেই সীমান্ত খুলে রেখেছে প্রকল্প সিঁদুর।
________
ছায়াবীজ
খটখটে বৃষ্টিরা এলো।
দোলনা পেরিয়া হাঁফধরা এই গ্রাম
অদ্ভুত চাবিকথা ও ছপ্পর ফুঁড়তে ঐ মাঠ
পাখিবার্ষীকিতে গুমসুদা অসুখ
গোপন সেলাইকরা সন্ধি চাষমাসে
অস্ত্রফুঁকে খেলনার গন্ধ ভেসে আসে
এক আশ্চর্য পুতুলের দেশ সে এক
রঙিন মাছেরা জ্বলে, নিভে যায়
তাঁতের বন্ধুত্ব জমে আ এর স্বাভাবিকে
বিক্রী হয় খতমতালিকায় লেখা নাম
গাছের দীর্ঘ উপনিবেশে
পারিবারিক পোশাক ও শিরস্ত্রাণ
হেঁটে যায় অন্য গল্পের ভীড়
তুলতে
ছায়াবীজে ধর্ম ফুরিয়ে যায়…..
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।