
মুঠো ছুরি খুলছে। পর্দার নানা ব্যবহার। ততো স্বচ্ছ নয় জেনে শিকারীরা ক্ষমা থামিয়ে দেয়। এক লুপ্তপ্রায় গান তোমায় আগুন চেনায়। উঠোনরঙা চাঁদ আকাশে অথচ তোমার কোনও স্বেচ্চাসেবক নেই। নির্মাণ বিনির্মাণের ভেতর তোমার জাতক চলে গেছে। ঈশ্বর মাখতে চেয়ে তুমি সুন্দর রাখতে পারছো না কোথাও। খুব দামী সাবানেও সিঁড়ির অঙ্ক থেমে থাকে যেভাবে। ময়লা জমানো এই প্রতিবাদ তুমি কোথায় রাখবে? ব্যবহারযোগ্য শোকসভায় ফুলের দায়িত্ব তুমি ফেরাবে কিভাবে?
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।