
মহা ঋষি সেজে রবি সম তেজে
ওড়ালে বিজয় ধ্বজা,
প্রতি ক্ষণে ক্ষণে নিজে মনে প্রাণে
মানবে করেছো পূজা।
পল্লীর দ্বারে শত উৎসারে
পরকে করেছ আপন,
প্রজাদের আশা দিয়ে ভালোবাসা
সবারে কেড়েছ মন।
তোমার সৃষ্টি বৃষ্টির মতো
ঝরেছে জীবনভর,
সেই জল ধারে সমুদ্র পারে
মানবে বেঁধেছো ডোর।
বাঙালির কবি বাঁধিয়াছো ঘর
বিশ্বের আঙিনায়,
সুখ দুখ মেখে বিশ্ববাসী
তোমারি গান গায়।
তব ছায়া পায় দুই বাংলায়
কবিতা গল্প গানে,
মানব সমুদ্রে ডুব দিয়েছিলে
অমৃত সন্ধানে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।