
“Art is not made to decorate rooms. It is an offensive and defensive weapon against the enemy.” পাবলো পিকাসো
মাঝপথে ঠিক হবে কোথায় যাব শেষপর্যন্ত
তুমি উত্তর থেকে এসো
আমি দক্ষিণ থেকে শুরু করবো যাত্রা
পূর্ব ও পশ্চিম থেকে ডেকে নেব ওদের
যাদের বেঁচে থাকা আসলে একটা যুদ্ধজাহাজের গায়ে
ঠেস দিয়ে আছে
যে যুদ্ধের ফলাফল স্থগিত রাখা আছে প্রায় দু'হাজার বছর
আমাদের জমি চাই, ভুখা, নাঙ্গা, বুনিয়াদী জমি
আমরা সে জমির নাম দিতে চাই নোঙর
নাম দিতে চাই অহিংসা
উচ্চৈঃস্বরে যাকে আমরা জন্ম বলে ডাকতে চাই
যারা যুদ্ধে নামেনি তারা দূর থেকে সত্যের দিকে তাকাক
দেখুক কীভাবে গায়ের জোরে লিপ্সাতুর রাজা
চুক্তির প্রতিযোগিতায়, দৈবের প্রতিযেগিতায়
নখের নির্মেদ ভাঁজে টিপে ধরেছে আমাদের আদুরে ইচ্ছেগুলো
ন্যায় নয়, তর্ক নয়, কেবল অসত্যের ধাক্কা দিয়ে
সত্যকে ঠেলে দিচ্ছে খাদের কিনারে
একবার চোখ খুলে দেখ,
হে, আমার অকালমৃত যত ভাইবোন,
মানুষ এক ধাপ উপরে উঠে যেতে চেয়েছে বলে
কত বকুলতলা ভিজে গেছে, কত হেদায়েত মুছে গেছে
গায়ের জোরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কত চেড়া জিভ,বাঁকা হাসি
কত কালো বাতাসের স্রোত
আধখানা মন অহিংসায়, আধখানা হিংসায় রেখে
আমরা ভাগ হয়ে যাব না
প্রমাণ করবো না কোনো অসহ্য তেজ
যে যেখানে আছি সেখান থেকেই তুলে নেব আমাদের
মুখ মনে না পড়া প্রেমিকের মতো খুঁজে নেব সমর্থনের লিপি
কিছু ঝগড়া আমরা মিটিয়েছি
অগ্নিপরীক্ষার যা কিছু বাকি আছে সেটুকু মিটিয়ে নিতে
তুমি উত্তর থেকে এসো
আমি যাত্রা শুরু করবো দক্ষিণ থেকে...
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,