
গণিত
সাদা পাতায় একটা ডট
মারাত্মক মারাত্মক
একটা লাইন পাতা জোড়া
বিষাদতোড়া বিষাদতোড়া
দুটো রেখা সমান্তরাল
নিখুঁত আড়াল নিখুঁত আড়াল
সরু পাতায় তিনটে দাগ
পাখির ঝাঁক পাখির ঝাঁক
চারটে দাগেই বন্ধ ঘর
ভীষণ ঝড় ভীষণ ঝড়
পাঁচটা দাগ আর নেশাখোর
স্বাধীন ভোর স্বাধীন ভোর
_________
আলস্য
কোথাও যাওয়ার কথা ছিল
পারিনি
পথের সৌন্দর্য
অলস করে রেখেছে
আমায়
কাকে যেন
ডাকার কথা ছিল
স্থবিরতা পার হতে হতে
ভুলে যাই কী যেন
বলার কথা ছিল
এত বছর হয়ে গেল
দরজার দিকে এগোতে
পারিনি
এত নেশা এত নেশা
ঘুরপাক করে তুলেছি
নিজেকে
রেওয়াজ সেধে সেধে
জং ধরল কত
কী যেন গাওয়ার
কথা ছিল
বসে বসে দেখলাম
মায়াবী সন্ধ্যা গায়ে
সময় নিজেই কখন
নেশারু সঙ্গীত হয়ে গেছে
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।