
মৃত্যুর গন্ধ
সাবধানতায় অভাব ছিল না
জোগাড় ছিল বাছাই করা নামি দামি সুগন্ধির
তবুও অকাঙ্খিত গন্ধটাই ছড়িয়ে পড়ল
জলজ্যান্ত কলের পুতুল গুলো হঠাৎ নড়ে গেল
বাঁধা পথ ছেড়ে দলে দলে মিশে গেল ভীড়ে
সেই পুতুলের ভীড় থেকে জমে উঠল উর্বরা মেঘ
বিদ্যুতে বিদ্যুতে ঝলসে উঠল সৃষ্টি
দমের পুতুলেরা
এখন মশাল জ্বালিয়ে প্রতিবাদের গান গায়
বিপ্লবের কবিতা শোনায়
স্লোগানে স্লোগানে কেড়ে নেয় নির্বিরোধীর ঘুম
চেনা ছকে প্রিয় খোপের আরামে
কারা যেন অসহন এক গন্ধ ছড়িয়ে গেছে
মুহূর্তেকের সুখেও হানা দেয় সেই গন্ধ
আবার কোথাও জ্বলে উঠছে না তো
কারো অবাঞ্ছিত চিতা
__________________
তারা আর আসবে না
যারা আর বেঁচে নেই
যারা জীবাশ্মের দাগের মতো মৃত
অচেনা ইতিহাসের মতো মূল্যহীন
তারা আসে
অর্থহীন হানাদারী চলে
চেতনহীন ঘুমে
তারা আসে তারা যায়
তাদের আসা যাওয়া চলে অবিরাম
তাদের নিরলস পায়ের শব্দে
অবচেতন ভেঙে ভেঙে যায়
তারা চলে যায়
তাদের আর ফেরা নেই
প্রাগৈতিহাসিক ঘুমের কানে কানে
মিলিয়ে যায় কোনো এক কালে
তাদের যাতায়াতের খবর
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।