২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
দুটি কবিতা

মোহনালিপি
পরিযায়ী কাকলির ভেতর থেকে
এই সুমেরীয় গুঞ্জন
বারবার এসে ফিরে ফিরে যায়
আর যায় বলেই
আলোধন্য বার্ষিকী উৎফুল্ল
ছুঁয়ে ছেঁকে অদ্ভুত মন্দা স্রোত
ঢেউয়ে কিংবা মননে
ভ্রুর কম্পিত রোদ্দুর উড়ে যায়
কাপাসি বাতাসে
কোনোদিনই আগুন পাহাড় নদী নিইনি
এই ঘরের অবয়ব
কখনই নেবার মতো নয়
অতঃপর যে কারণেই হোক
কম্পাসের ঘূর্ণায়মান দীঘল কালো জল
স্থিরবৎ
ম্যানগ্রোভ প্রেইরি সাভানায়
ঘুমন্ত স্বপ্নের বিউগল
রহস্য
বিস্ময়
ফেঁপে ওঠা মদির স্বপ্ন আমার
তাই
পৃথিবী দেখা ফুরাবে না কোনোদিন
কোনোদিন ফুরাবে না
এই হাঙরে সিন্ধুঘোটকে
বাতাবি লেবু বেঁচে থাকা
যে জীবন কর্কটীয় , মকরীয়
এগিয়ে চলতে জীবন কমে
স্থির বিন্দুর মতো তবুও
আকাশ মেঘ
তরল মদির স্বপ্ন
স্কার্ফে জড়িয়ে ঘুমিয়ে পড়ি
সকাল হলে একটা বাতাবি গাছ
আলোর রোদ্দুর মেখে শুয়ে থাকে
আমার সারস লুনি ডেকানট্রাপে
জ্বরের পারদ উঠছে নামছে
ক্রোনোমিটার ঘিরে অতীতের বাৎসল্য
হাসতে হাসতে খেলতে খেলতে
ভুলে যাচ্ছি, মিশে যাচ্ছি
স্টার্টিং পয়েন্ট তখনও পায়ের কাছেই
আর ভুলছি বলেই এই বেঁচে থাকা
অথবা বেঁচে থাকতে থাকতেই
এই ভুল
নিঃস্ব অথচ সঙ্গম লীন
প্যারাট্রুপারের পায়ের তলার উদ্বাস্তু নিরক্ষরেখা
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?
কবিতা৭ মে, ২০২৪

জ্যোতির্ময় বিশ্বাস
দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব
কবিতা৭ মে, ২০২৪

শ্রী সদ্যোজাত
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,
কবিতা৭ মে, ২০২৪