
ক০০৩৯
বহুদূরে একটা গাছের শরীরে ঘুমিয়ে পড়েছে চড়ুই
তার দেহ জুড়ে ক্লান্ত অবস্বাদ
ঘুমিয়ে পড়বার আগে কী ভেবেছিল পাখি?
হয়তো তার মা অপেক্ষা করছে,
অথচ ভাইয়েরা নবী ইউসুফের মতো
তাড়িয়ে দিয়েছিল ঘর থেকে, গহীনে।
খ০০৩৮
একটা শিমুল গাছে রাত নেমে এলে
সান্ত্বনা শোনায় পাতারা,
কতকাল আগে পাখির ঠোঁট থেকে পরে
ধীরে ধীরে হয়েছে সবল,
সেই কথা জানে বাতাসের নাসারন্ধ্র
আর জানে মাটি'মা।
মাটির গর্ভ থেকেই গাছ জন্মে
গাছের গর্ভ থেকে ফল-ফুল-পাতা।
গ০০৩৭
কমলালেবুর দিবস শেষ হলে
বাতাসে তোমার নাম ভেসে আসে কানে।
তখন দুঃখ বাড়ে
লালজামা পড়া দুঃখ।
ফুলের দুঃখ হলে রোদেরা হাসে?
বাইবেলে যদি থাকতো তোমার নাম,
মহামন ভেবে জীবনে গুঁজে রাখতাম।
ঘ০০৩৬
ভোরের শরীরে ঢুকে পড়েছে শিশুর কান্না
শিউলি ফুলের ঘ্রাণ
পাখির কিচিরমিচির
আর আম্মার রান্না করা গরম ভাতের গন্ধ।
কৈ মাছের পিঠ থেকে আব্বার রক্ত বের হয়
রক্ত অপ্রিয় ফুল,
তবুও দেহে সর্বদা তরমুজ রূপ নিয়ে ফুটে থাকে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।