
দূর পাহাড়ি গ্রামে স্কুলবাড়ির পাশে
আলোর বাতাসে কেঁপে ওঠে মন
দিনগুলি বয়সের ঝরাপাতা
ভেসে যায় নগরের নদ-নদিতে
সুযোগ হলেই
বয়স থেকে নেমে আসি শৈশবে
খেলার মাঠে গড়িয়ে যায় সূর্যাস্ত
অন্ধকার সরিয়ে সরিয়ে
হাত ধরি লালের
বাড়িটা একা হয়ে যায়
নি:স্ব হয়ে যায় লালের আত্মীয়স্বজন
কাঁপা কাঁপা হাতে কেউ যেন লিখে রাখে
আমি ভালো নেই, মোটারাম
এই দু:সময়ে কেউ ভালো নেই লাল
রক্তাক্ত ভোর কাঁধে করে
আজও ফেরি করি সেবাশুশ্রূষা
বিকেলগুলো জমিয়ে রাখি
স্মৃতির আল্পনা আঁকার জন্য
সময় চলে যায়
দেখা হয়না তোমার সংগে
কোলাহল রঙের সংসার
তবু একা লাগে
চোখ বুজলে স্পষ্ট দেখতে পাই
শেষ ট্রেন ঘরে ফেরে
শহরের যাবতীয় কালি মেখে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,