২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
কবিতা
কবিতা
এখনো সোনার মোহড়ায় জিতে যায় খাদ
 
মুঠো ভর্তি অপহরণ।গণিকার আকাশ উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে আয়না ও আকাশের চোখের ঘর-দোড় এবং সোপার পেট ভর্তি হিরণ্ময় রক্তাক্ত ছুরি—মায়াবী চাহনি বিক্রি হচ্ছে। টেবিল জোড়া আত্মার চিৎকার,হাতের তালুতে ইচ্ছে হয়ে যাচ্ছে — কি অদ্ভুত ঈশ্বর...
 
বিগত উন্মাদ—এখানে মিথ্যার মোড়ক উন্মোচণ করেছে কোকিলের ঠোঁটে ও সুরে—অনুসারী সাপ,কথার ফাইল বন্ধী করেছে উইপোকার রক্ত...
 
আমার উপুড় করা বুক সাঁতার—সত্যের শয়তান রান্না করে প্রহসন।ঘুরে আসো বিকলাঙ্গ বিবেক—এখনো সোনার মোহড়ায় জিতে যায় খাদ। 
 
২.
এখানে মম জ্বলে থাকবে 
 
শীতের দীর্ঘ রাত—দুর্বোধ্য অন্ধকার খেলা করে শিশুর হাত ও পায়ে।তার ফর্সা আঙুলগুলো অন্ধকারের বিষম চোখে দেয় শাশানির ওম ও আলোর অপমান।কেউ জেগে থাকে কাঠের টেবিলের বুকের আকাশে—এক ক্রন্দন জড়িয়ে ধরে,যেন আজীবন বালক সে—কোথাও লুকিয়ে রেখেছে  শিশুর মায়ের স্ফটিক সকালের জলের হাসি 
 
কেউ জানি একদিন পিঁপড়ার চোখ নিয়ে আসবে, এখানে মম জ্বলে থাকবে — ফেরেস্তার অশ্বরীরী,এই যা দেখছো,পড়ছো—এর অঙ্কনকারী ঈশ্বরের গোত্রভুক্ত এক উন্মাদ,জাদুকর আর দৃশ্যহীন এক হাততালি।উড়ে যায় কারো সজ্জার রুগনো পায়রার আহাজারী।শিশুটির আঙুলে আঙুলে গ্রীস্মকালীন সূর্য,এই অপেক্ষা উত্তাপের কোরিডোর খুলে দেবে
 
শীতের দীর্ঘ রাত—একদিন নীল রঙের মটরশুঁটি ফুল হয়ে ডেকেছিল আমার বারান্দায়।

সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
ওয়াহিদার হোসেন

কয়েকটি কবিতা

সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

কবিতা৭ মে, ২০২৪
দুটি কবিতা
জ্যোতির্ময় বিশ্বাস

দুটি কবিতা

একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

কবিতা৭ মে, ২০২৪
একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
শ্রী সদ্যোজাত

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......

ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,

কবিতা৭ মে, ২০২৪