৭ মে, ২০২৬
কিছু কবিতা
কিছু কবিতা

অমোঘ 

 
নিস্তেজ দেহ পড়ে থাকলো
ঘন নিঃশ্বাস আর হৃদ-পেয়ালার স্পন্দন। 

আমার অগ্রজেরা কেউ থাকলেন না,
একা,ঘোর কাটছে না আর।
প্রাণের দহন ভুলে ভালোবাসতে পারছি না। 

ক্রমশই বাড়ে
কাছে পাবার তাড়না, 
তুমি দূরে সরে গিয়েছো।
ফেরাবো কিভাবে?

কাছে ছিলাম,দূরে সরালে
তুমি এলে,আমি নিলাম
তুমিই সরে গেলে!

এই অসময়ে তোমাকে খুঁজেছি

মাঝপথেই আলাদা হলাম,বাধ্য হয়ে।
এইতো বৃহস্পতিবার বলে সে দিন দেখা দিলে।

 

প্রস্থান

 
মিলন ভেঙ্গে উঠে এসেছে চাহিদা গুলো। বিছানায় শুয়ে দেখেনি কখনো-
নগ্ন দেহ চোখে ধরেও 
নিস্তেজ।

আকাঙ্খারা মরে গেল-
কতটুকু আঘাত পেয়ে।
এমনই কি হয়?

অপমানের শব্দ কতটা শুনে 
হেঁটে চলা যায়?
সন্মান যে উলঙ্গ বেশ্যারও আছে,
ব্যাতিক্রম এই নিস্তেজ শরীর।

নিষিদ্ধ, ফিরে যাওয়া। 

আর ছুঁয়ে দেখা হবে না,
অতৃপ্ত-অপূর্ণ বাসরের সঙ্গীকে।
ঘরের তিক্ত চৌকাঠ পেরিয়ে ভেতরে যাবো না-
অপরাধী হয়ে বেঁচে থাকার প্রয়োজনে।

শেষ।

 
উত্তমা

সে এত গোপনেই এলো
কৈশোর পার হয়ে যায়,নীল প্রাসাদের আলোয়।

চোখ,হতবাক হয়ে তাকিয়ে থেকে আজন্ম দেখে যাই।তারার আলোরা ফিকে পরে যায়।

সে এত গোপনেই এলো

যেন শত বছরের পরিচয়েরা পরিপূর্ণতা পেলো।মাতাল নক্ষত্রের ভরাডুবি হয়ে যায়,প্রজাতির গান শব্দ হারায়।

সে এত গোপনেই এলো

তার চলে যাওয়ায় কেউ জানলো না কত টুকু হলো ক্ষয়।এক চোখ জানে না আরেক চোখের মধ্যে কি যে হয়।

সে এত গোপনেই চলে গেলো।

এখনও কোনও মন্তব্য নেই

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।