
কিছু অলিখিত বুদবুদ-২
মর্মরে আঁকা আলো
মর্মে কুসুম করি
আর বাঁচার তুমুলে-- মাঠে রুই
মেঠো কারু-লতা !
ওহে খাদ্য তরিকা
দেখো,নিজ মরশুমে
হৃদি রং
দেদার ফুটেছে
ফুটেছে শ্রমের দীপফুল
ছিটে-ফোঁটা সুরং অক্ষরে
যেনবা আর্ত তালিকায়
এতসব কুসুমে কুসুমে
কবিতা- কারও ফুটে ওঠা
ছড়ানো কাঁটার মুুখোমুখি
কবিতা- কারও ভেসে ওঠা
এক যোগীয়া চারণে
কিছু রীত-ছেঁড়া
কিছু অস্তি মশগুল !
কিছু অলিখিত বুদবুদ-৬
আলতো করে মেঘ ডাকবে
চাকা গড়াবে আলতো করে
হাওয়া রিমঝিমের দোসর
সেও, ভিজিয়ে দেবে
জন্মান্তর
মন মোরামে লেগে থাকবে
দীর্ঘজীবী হও
শিমূলগুলি চারপাশের দিক নির্দেশ
একটু জিরোবে কেউ
শিমূলতলে
কেউ খুলবে তার শব্দ-মদালস
খলবল জলতল
তার পাঠ পরিধির জলতল
ছড়িয়ে যাবে
কত কত সঘন দূর্বায়
হাতে নাতে ধরা পড়ে যাওয়া দূর্বায়
একটু আধটু আঁৎকা উঠবে
একটু ঘুরে যাবে চাঁদি,চাকতি
তবেই না জমবে উদ্দেশহীন
তবেই না সুখতলা ক্ষুইবে টায়ার
সারা জীবন একটি শাদা পাতা
তাতে দাগ টানা এক মোহন অবয়ব
হয়তো কেউ মনে রাখবে
আলতো করে
হয়তো কেউ বিস্মৃতি-কে
বলে উঠবে দীর্ঘজীবী হও !
কিছু অলিখিত বুদবুদ-৮
কার অঙ্গে যে কে ফুটে আছে
কে যে আজ সকাম ফুলের সোনালিতা !
এই জংশনে
ভালবাসার টোকেনগুলি
রুহ্-রুহানির
শবদেহে
আমাদের প্রবেশ ও প্রস্থানগুলি
রাত পাহারা দেয়
আর
চাঁদ পাহারা দেয়
সেইসব মরে আসা রঙের ফিকে
সেইসব ছায়াময় একার জল রঙ
গোধূলি গ্লাসে
ঢেলে দেয়
ছড়ানো শরীরে বরফের ঘুম
রাত পাহারা দেয়
আর
চাঁদ পাহারা দেয়
একটি দেহের সমাধি প্রবাহ
একটি প্রাণের মুচড়ে ওঠা ধূম
যেন তাক-লাগা তুমুলে। তুমুল।
কিছু অলিখিত বুদবুদ-১২.
জলতলে জমে গেছ তুমি
ভাঙা ঘুমে
দূর ছাউনির নিচে কোথায় যেন
বুনে দিচ্ছে কেউ
মাতৃজলাশয় !
বুকের সেই নিভন্ত আলো ডিঙি
বুকের সেই ভরন্ত রাত্রির
স্মৃতিরেখ
তোমাকে বসিয়ে দিচ্ছে বিন্দুর আগে
সেই ভগ্নাংশে -
সেই অতল অশ্রুর ওজু থেকে
কে যেন ডেকে উঠছে -
মা - মা -বলে
ঘুণ- ধীরে ধীরে
জমে যাচ্ছে ভাঙা ঘুমে
খুন- ধীরে ধীরে
জমে যাচ্ছে
হাড়ের কাঠামোয় !
কিছু অলিখিত বুদবুূদ-১৬
বায়না তো ধরেই সন্ধে সজল
বায়না ধরে মনের কোণাকুণি
সাকির ইশারা আঙুলে
নেমে আসে
ভেজা ভেজা ঝাঁঝালো মরশুম
তারই গুমশুমের আত্মায়
এই যে বসে থাকা
এক খামখেয়ালি
এ-যেন বসে থাকা
এক ভেতর রুদালির ধিমা গুনগুন
ততক্ষণে দেখার সরু রেখায়
শিমূলের শুকনো ডালে
উঠে আসা চাঁদ
নিশ্চুপ চেয়ে থাকে একা ফুলটির দিকে
সেই আবছা মতো আলো-ছা
ফুলের ভেতরেও তো খেলা করে
কারও উদাস দৃষ্টির শর্করা
নৈঃশব্দ্যের লালচে ধুকপুক-
যা তোমাকে সুরের আশ্রয়ে নিয়ে আসে
আর তোমাকে ধিকিধিকি
একার্তি-কিনারে ঠেলে দেয়
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

কয়েকটি কবিতা
সকল দ্বিধা। ফেলে দিয়ে আস্তে আস্তে চলে আসি অন্ধকারে।এভাবেও ফেরা যায়।ফেরা কি সম্ভব?সাধুসঙ্গ টেনে আনে গার্হস্থের তুমুল আলোয়।দড়ি দড়া ছিড়ে ভেঙে পাখিও কি ফিরতে পারে পরিচিত শাখের জঠরে?

দুটি কবিতা
একা যে হাঁটছ যুবক এ বন পছন্দ বুঝি, ক'দিন এসেছ আগে শুনি বসো হেলান দিয়ে এই ফাল্গুনের ধ্বনি আর আগুনের পাশে বসে শুনি তোমার কথা সব

একটি স্নেহ চূড়া মৃত্যু .......
ছেড়ে দেওয়ার পরেও কেমন যেন সে নয়ন আপন নয়ন হয়ে থাকে। কাছে থাকলে যদি অখিল স্রোতের বিড়ম্বনা আসে, একসময়ের পরিচিত একান্ত সংকেতগুলো হঠাৎ ঝড়ের মতন আবছা হয়ে আসে, ছেড়ে দেওয়ার পরেও সে কেমন একটা শিউলি শিউলি গন্ধ এই অবেলাতেও সারা গায়ে লেপ্টে রাখে,