
জলো ঘাসের জমিতে
এইমাত্র পা ডুবিয়েছে ধূসর সারস
পদ্ম শাপলায় মাখামাখি
খেঁজুর কাঁটার বন
দিনের রহস্য মাখা কালিসেন স্টেশন
শালবনী থেকে বাঁকুড়া যতখানি পথ
তারও বেশি আরাম
থম ধরে আছে গোটা রেলপথ জুড়ে
সরব উদ্বেগ সেতু থেকে সেতু
গোলাপি রাখিবন্ধন
রেখে দাও চিঠির আড়াল
আড়ালের প্রেম নবাঙ্কুর
সূর্যের তেজ ভূমির কৃত্তিকা সেতো আসলে সে নয়
তারও বাঁধনে অতৃপ্ত বাতাস
কী এক আনমনে হাসে কাশের জঙ্গলে
রাখো তাকে নভোশূন্য করে
তাকে রাখো অনন্ত প্রাণের ভূমারূপে
আদিম শরীর সঞ্চারিত হোক
কাশবন নির্জন পুরুষ নগ্ন অপরূপ অপরূপ
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।