
সালোকসংশ্লেষ
যখন বাকস্মৃতি নেই
প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে
সালোক সংশ্লেষের শেষে
বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও
চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
তরবারি স্থগিত রেখেছো
চাঁদ পরিসেবার দিকে ফিরিয়ে দিয়েছো অক্ষত
ঝড়বৃষ্টির আদর তোমার অজানা নয়
চুলের ডালপালায় ছড়ানো ছিটানো মুঠোঘুম
আমি শরীর হতে হতেও থেমে গেছি
পালকের দায়িত্ব ছেড়ে উড়ে গেছে অনন্ত হাঁসেরা
____________
নামপুরাণ
টেবিলে ভুট্টা খসার শব্দ হলো
তুমি কি টের পেলে বেগানা আগুন?
দড়ি কলসী ও সমবায়িকার এই অতিভূজ
এই আনকোরা ঘুমের খাতা
সবই তো উঁচুনীচু
সবই তো নামপুরাণ
দীর্ঘ পোশাকের দিকে চলে যাও
যা ভাঙলে তোমার চাদরে
স্বপ্নের দাগ থেকে যাবে
যা ভাবলে শরীর তফাৎ করে ছায়া
রেখায় সমুদ্র আসে
টিপ পড়ে
খুশী খুশী হয়
চাঁদের ছলাৎ এ দুলতে থাকা ঘরবাড়ির নাচ
__________________
আতরজন্ম
হয়তো বন্ধু নই, হয়তো হারানো রাখতে পারিনি কোথাও, এই দানাদানা অভ্যেস, আতরজন্মের ভীড়, আমি মুক্তিকে মুক্ত করেছি, সূচফোটানো ছায়ায় আর অঙ্কের ঘোর কেটে গেছে।
খাপছাড়া তদন্তের দিকে সারাবেলা বেড়িয়ে পড়েছে, আমার মানুষ পায়, হাঘরে ঘরের কাছে আমার সিন্দুক মুছে গেছে। চাবি থেকে নাম ঝরে, চাবি থেকে দূর্গ খসে যায়।
_______
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

সেতু
আপনি কি এখানে কিছুক্ষণ থাকবেন? হয়তো! কলমটা কি একবার... হ্যাঁ,নিশ্চয়ই। বাবার পাশে,এলোকেশে উঁকি দেওয়ার ইচ্ছেটায় বিরতি দিলাম। ফেরার সময়,তোমার অসময় বুঝেও ঢাকনাটাও দিয়ে এলুম। কলমের ঢাকনা কাছে রাখলে নাকি ফেরত আসে।
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।