৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
কয়েকটি কবিতা

এতটা নিখুঁত হলে চলে না
এতটা নিখুঁত হলে চলে না
কিছুটা খুঁত নিয়ে দিব্যি বেঁচে থাকা যায়।
কখনো হাসির গমকে ব্যথার বাদ্য বেজে উঠলে
কখনো সুরের গভীরে আরেক সুরের বোঝাপড়া হলে
সহজেই মুছে ফেলা যায়- দৃশ্যবাহিত দিন।
কিছুটা খুঁত নিয়ে দিব্যি বেঁচে থাকা যায়।
কখনো হাসির গমকে ব্যথার বাদ্য বেজে উঠলে
কখনো সুরের গভীরে আরেক সুরের বোঝাপড়া হলে
সহজেই মুছে ফেলা যায়- দৃশ্যবাহিত দিন।
এইসব পিছুটান আর ভুলে যাওয়া অভিমান নিয়ে
কীরকম অবহেলায় বেঁচে উঠি প্রতিদিন!
একা বাঁচতে গেলেও কিছু আনন্দ কিছু বেদনা
তাড়া করে বেড়ায় আমাদের।
কখনো আষাঢ়ের এই বৃষ্টির জমকালো উৎসবে
জমিয়ে রাখা ভালো- এইসব সুযোগ ও সময়!
কীরকম অবহেলায় বেঁচে উঠি প্রতিদিন!
একা বাঁচতে গেলেও কিছু আনন্দ কিছু বেদনা
তাড়া করে বেড়ায় আমাদের।
কখনো আষাঢ়ের এই বৃষ্টির জমকালো উৎসবে
জমিয়ে রাখা ভালো- এইসব সুযোগ ও সময়!
পাশে না থেকেও আছো তুমি অনুভূতির সংকলনে।
জীবিকার বদলে পেয়েছি চিন্তার শৃঙ্খল-
তবু সুখ আসে না, এই অভ্যস্ত সংসারে।
জীবিকার বদলে পেয়েছি চিন্তার শৃঙ্খল-
তবু সুখ আসে না, এই অভ্যস্ত সংসারে।
এতটা নিখুঁত হলে চলে না
অপ্রেমের বিরহ নিয়েও দিব্যি বেঁচে থাকা যায়।
অপ্রেমের বিরহ নিয়েও দিব্যি বেঁচে থাকা যায়।
জাদুবাস্তবতার মহড়া
সুনীতির চাদরে ছেয়ে গেছে যাপনের ইতিহাস
আর আমি তোমাকে চাইতে চাইতে বুঝতে শিখেছি
অবশিষ্ট সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে আবার।
এ রকম কিছু মন ভোলানো কথার উপস্থিতি নিয়ে
ধীরে ধীরে মুছে গেছে অনেক কথার আয়োজন।
আর আমি তোমাকে চাইতে চাইতে বুঝতে শিখেছি
অবশিষ্ট সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে আবার।
এ রকম কিছু মন ভোলানো কথার উপস্থিতি নিয়ে
ধীরে ধীরে মুছে গেছে অনেক কথার আয়োজন।
অধিক আলোতে ছায়ারাও কেমন প্রতিবাদী
ভুলের আঁধারে মিশে যায় কোনো কোনো সম্ভাবনা।
দুঃসময়ে কীরকম তেজী হয়ে ওঠে কেউ কেউ
আর শিল্প এখন দস্যুর ভূমিকায়।
ভুলের আঁধারে মিশে যায় কোনো কোনো সম্ভাবনা।
দুঃসময়ে কীরকম তেজী হয়ে ওঠে কেউ কেউ
আর শিল্প এখন দস্যুর ভূমিকায়।
রোদের এই শুভ্রতা ঢেকে যায় জীবনের প্রবাহে
নীতির কথা শুনলেই হারিয়ে যায়
এমন অভিযোগ নিয়ে ভাবনার বসতি ছেড়ে
জাদুবাস্তবতার মহড়া চলে এখন।
নীতির কথা শুনলেই হারিয়ে যায়
এমন অভিযোগ নিয়ে ভাবনার বসতি ছেড়ে
জাদুবাস্তবতার মহড়া চলে এখন।
অবিরাম কান পেতে আছি
অনেক লোফালুফি হলো নিজেকে নিয়ে
বইয়ের পাতা থেকে যখন মুখ ফেরাবো
কোন দিকে আজ পা বাড়াবো ভুলেই গেছি।
বইয়ের পাতা থেকে যখন মুখ ফেরাবো
কোন দিকে আজ পা বাড়াবো ভুলেই গেছি।
প্রতিদিন অস্থিরতায় খেদ মিশিয়ে
রাজা-উজির মারতে মারতে ঘরে ফিরি।
রাজনীতি বিশারদ হয়ে হর-হামেশা ছুড়ে মারি
মুখরোচক বাক্যের হাতুড়ি।
রাজা-উজির মারতে মারতে ঘরে ফিরি।
রাজনীতি বিশারদ হয়ে হর-হামেশা ছুড়ে মারি
মুখরোচক বাক্যের হাতুড়ি।
অথচ শতাব্দীর অস্থিরতা বয়ে যাচ্ছে
শিরা আর ধমনিতে। কল্পনার কাফনে মোড়ানো
ভবিতব্য নিয়ে রৌদ্রশাসিত সমাজ গড়ে তুলেছি।
মাতাল কোনো সময় দুঃসময়ের কলকাঠি নেড়ে
জানিয়ে যায়, পুরোনো মজলিসে।
শিরা আর ধমনিতে। কল্পনার কাফনে মোড়ানো
ভবিতব্য নিয়ে রৌদ্রশাসিত সমাজ গড়ে তুলেছি।
মাতাল কোনো সময় দুঃসময়ের কলকাঠি নেড়ে
জানিয়ে যায়, পুরোনো মজলিসে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেন
ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা
কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬

নাফিসা মিদ্যা
জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে
কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬

শৌভিক দত্ত
শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
কবিতা১৪ অক্টোবর, ২০২৬
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।