
যেভাবে বিরল থাকে
যেভাবে বিরল থাকে
আর আত্মহত্যার ছোট ছোট রাস্তা তৈরী হয়
আমি জানি
সমান্তরাল শুধুমাত্র পাশাপাশি বয়ে চলা নয়
অসমাপ্ত খেলা চলে যায়
সুস্থ হাসপাতালে ধবধবে সাদা চাঁদ ওঠে
তার এ্যাপ্রণ
বরফের মতো ঠাণ্ডা ও মৃয়মান
সাঁতারের অন্ধকারে কথা রাখা রাস্তা ছিল
ফুলগুলি শক্ত ছিল খুব
এই দৃশ্যে নিরীহ ঘরবাড়ি দাঁড়িয়ে পড়েছে
টোকার আগেই জড়িয়ে যাচ্ছে কথা
জলের কাছে চলে যাওয়া তোমার নিয়তি
গাছ থেমে আছে শীতময়
ওকে অল্প আঙুল পরাও.....
পর্দারাত
শূণ্য চুঁইয়ে মৃত মানুষরা বেরিয়ে পড়েছে
ডানায় চেপে রেখেছে পাথর
পর্দার ভেতর সারসার রাত চলে গেছে
জিজ্ঞাসাচিহ্নের কাছে রাখা কিছু জিজ্ঞাসা
ফুলদানী হয়ে ঝরে গেছে
এমন অসময়ে
তুমি ঘুমিয়ে আছো
মাছের স্বপ্নে গেঁথে রাখছো পেরেক
হারানো গল্পেরা ইদানীং
বরফের ভাষা শিখছে.....
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।