
বিষের বালি ভিতরে নিয়ে,
মুখ বুজে নিরবে সহে যাওয়া শিখে নেয় আবুল হাসান ঝিনুকের কাছে।
রাজা যায় রাজা আসে,পৃথক পালংক একা অন্ধকারে।
নির্জন হাতে জীবনানন্দ,
ছুঁয়ে দেয় মহাপৃথিবী,রুপসী বাংলার হৃদয়,
ট্রাম পৌঁছে দ্যায় লাশকাটা ঘরে।
বিনয় বাবুর দীর্ঘ অপেক্ষা...
ফিরে এসো চাকা!
গণিতের শূন্যে খুঁজে পেলো নিজেকে,অঘ্রাণের অনুভূতিমালা।
হাজার বছর ধরে পৃথিবীর পথে হেঁটেহেঁটে ক্লান্ত জীবনানন্দ;
বিনয় বাবুর চাকা আজও ফেরেনি,
অনেকের ভিড়ে অবশেষে একা হয়ে যায় আবুল হাসান।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।