
এগোতে এগোতে একটি গোলাকার বৃত্ত চোখে পড়ে
সদ্য আঁকা সাদাখাতায় তারপর জ্যামিতি বাক্স থেকে
তরাক করে দাঁড়ায় বৃত্ত-আঁকা কম্পাস যেন মার্শাল
রবার-পেন্সিল হতবাক যেন SIR থেকে নাম-কাটা ভোটার
পারিবারিক জ্যামিতি বাক্স একমাত্র সাক্ষী… স্যার
মায়ের পুরনো শাড়ি থেকে তৈরি কাঁথায় নক্ষত্র পাড়া
অক্ষয়ের সীমানা ঘেঁষে বাঁশবনে থালা-সমান চাঁদ ওঠে
তিনপুরুষের বসত তেল চকচকে কাঁঠালকাঠের পিঁড়ি
চোদ্দগুষ্টির ছাপ পড়ে আছে যেমনতেমন প্রত্যয়ে…স্যার
ভাঙা কম্পাসের অদৃষ্ট ব্যাস-ব্যাসার্ধ বৃত্তে গুলিয়ে গেছে
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।