
বর্ষা নেমে এলে আমাকে ডেকে দিও তোমার উঠোনে।
কাদা আর একহাঁটু জলে কবিতা লেখা যায়। অজস্র দারিদ্র্য নিয়েও নীতিগত সিদ্ধান্ত বজায় রেখে বেঁচে থাকা যায় তোমাদের মতো। আসলে ঐশ্বর্য ওদের উন্মাদ করে দিয়েছে। চাহিদার খেপামোতে বিবেকহীন।
তাই তারা বর্ষা, শরত, শীত কিছু বোঝেনা। শুধু টাকার স্বপ্নে রচনা করেছে এক নিজস্ব জগত। বেরোবার পথ নেই। ইচ্ছে নেই। শুধু নিরেট পাথুরে সভ্যতা। পাঁচিল ঘেরা দ্বীপ। সাম্রাজ্য নয় ; আলোর নামে নিশ্চিদ্র অন্ধকার। যেদিকে তাকাই শুধু কংকাল সার সার। কবিতা এখানে একটি সংকল্প নিয়েছে মুষ্টিবদ্ধ হাতে।
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।