
ভাষাগান
মুঠো ছবি খুলছে। পর্দার নানা ব্যবহার। শিকারীরা এখনও স্বচ্ছ নয়। জেনে আমাদের ক্ষমা থেমে আসে। এক লুপ্তপ্রায় ভাষা তোমায় আগুন শেখায়। আকাশে উঠোনরঙা চাঁদ অথচ মাটির কোনও স্বেচ্ছাসেবক নেই। তোমার জাতক নির্মাণ বিনির্মাণের ভেতর চলে যায়। ঈশ্বর মাখতে মাখতে তুমি সুন্দর রাখতে পারছো না কোথাও। খুব দামী সাবানেও পিছলের অঙ্ক থেমে আছে।
ময়লা জমানো এই প্রতিবাদ তুমি কোথায় রাখবে ? ব্যবহারির শোকসভায় ভুলের যোগ্যতা তুমি ফোটাবে কোথায়?
_______
অরণ্য সংবাদ
ডালপালা কেটে যাবার সময় অখণ্ডতা আমায় পরোয়া করে না। কোথাও দশদিক নেই। হাতের বালকে অরণ্য ফুরিয়ে আসে। এই অশক্ত সন্ন্যাসে ভুলে যাওয়া ডুবোজাহাজ খুলে বেরিয়ে আসছে সম্মোহন। পদাতিক গণিতে রাখা ভীড়ের ছররা কিছু। পতাকাগলিতে। অংশগ্রহণে আমার ভালোবাসা ফেটে যায়।
নিরক্ষ জানালা জুড়ে এই কুরুক্ষেত্র, অক্ষৌহনী ঘুম। সন্দেহপালনের রাতে বেজে ওঠা ঘুঘু আমার ভিটে চেনে। বিবেক বিক্রী হয় কাপড়ের মতো। আর দর্শক যখন কার্যত পোশাক, এই কমে আসা আলোয় সার্কাসের দেশে নিভু নিভু চিঠিরা আসে, বাক্সবন্দী হয়, আমরা নির্বাচন ভাবি
সংশ্লিষ্ট পোস্ট

ওয়াহিদার হোসেনের দুটি কবিতা
আগুন জ্বালানোর মতো বিস্ময় নিয়ে তোমাকে দেখি তারপর দৃশ্যান্তরে ক্রমে হাত পা

জন্ম দাগ
তোমাকে ভীষণ হিংসে হয় হ্যাঁ হ্যাঁ তোমাকেই তুমি অবাক হবে ভাববে গোত্র পরিচয়হীন একটা রাস্তার শিশুকে আবার হিংসে

শৌভিক দত্তের তিনটি কবিতা
যখন বাকস্মৃতি নেই প্রতিমা আলোয় তোমার উজ্জ্বলতা পাঠাগার হয়ে ভেসে আছে সালোক সংশ্লেষের শেষে বন্ধু দাঁড়িয়েছে কোথাও চিরহরিৎ পাঠশালায় ফুটফুটে শিশুরা এসেছে, আর ক্ষমাকষ্টে তুমি
এখনও কোনও মন্তব্য নেই
আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।