ইমন কল্যাণ (৭ম পরিচ্ছেদ)

৩১ অক্টোবর, ২০২৬
ইমন কল্যাণ (৭ম পরিচ্ছেদ)

//পরিচ্ছেদ -৭//

বৃষ্টির ছাট এসে গ্রীলের দরজা ভিজিয়ে দিচ্ছে। বর্ষার প্রথম দিকের বৃষ্টি মানেই এক অনন্য অনুভূতি। মোনালিসা মিটিংয়ের জন্য বের হবে। অথচ এখুনি যেন বৃষ্টি আসার সময় হলো। বিরক্তি আসছিল এমন নয়। আজকে জেলা পার্টি অফিসে ফাইনাল হবে রাঙ্গালিবাজনার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলে কে এবার পঞ্চায়েত সমিতি পদমর্যাদায় প্রার্থী হবে শাসক দলের হয়ে। কাওসার আজকে ওর হাসপাতালের কাজে ছুটি নিয়েছে। মোনালিসা সকাল থেকেই উদ্বেগের মধ্যে ছিলো। কাওসার গ্যারেজ থেকে ছোট ওয়াগনারটা বের করে আনল। এনে রাস্তায় দাঁড় করালো। দশ মিনিট মতো চালালে রাঙ্গালিবাজনা ঢোকা যাবে। রাঙ্গালিবাজনা চৌপথীতে রাস্তার কাজ হচ্ছে। রাস্তা চওড়া হচ্ছে। শাল সেগুন পিয়াল গামহার আরও অসংখ্য দামী গাছ কাটা পড়বে। যারা জলদাপাড়া ছেকামারি তিতি ফরেস্ট আন্ধারকোটাকে জুড়েছে তাদের কেটে ফেলা হচ্ছে নির্বিচারে। এটাই নাকি উন্নয়ন। বিকাশ। ভাগ্য ভালো কাওসারদের কোনো সন্তান নেই। নাহলে সন্তানকে সে কীভাবে মুখ দেখাত? চিপকো একবার দু'বারই ঘটতে পারে। সেজন্য জজবা চাই। যে রাজ্যে পাঁচশো হাজার টাকায় মাথাপিছু ভোট বিক্রি হয় সেখানে এসব কথা বললে লোকে সাইকিয়াট্রিস্ট এর কাছে নিয়ে যাবে।

দু:খের বিষয় এই সময়ই ফোনটা ভাইব্রেট করতে শুরু করেছে। অন্যসময় সাইলেন্ট থাকে। আজকে কোন দু:খে ভাইব্রেট হচ্ছে কে জানে?

স্টিয়ারিংয়ে হাত রেখে মোবাইলটা বের করে কানে লাগায় কাওসার।

হ্যাঁ গাড়ি ড্রাইভ করছি। পরে কথা বলছি।

কে ওটা? জিগ্যেস করে মোনালিসা হাসতে থাকে। তাচ্ছিল্যের হাসি।

মোবাইল পকেটে রাখে কাওসার। মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট। বিরক্ত হলেও সে অপদস্থতা এড়াতে পারেনা। এখন ক্রমে এটা যেন মানিয়ে নিচ্ছে মোনালিসা। নিজের অসহায়তা লুকোনোর আর কোনো রাস্তা জানা নেই মোনালিসার। তার অসহায়তা বোঝার ক্ষমতা কাওসারের নেই। কাওসারের ডানা গজিয়েছে। কাওসার উড়ুক। ভাষাদিবসের অনুষ্ঠানের দিন যেভাবে বাইশের তরুণী প্রীতি, কাওসারের সঙ্গে আচরণ করছিল তাতে মোনালিসা সব বুঝে গেছে। আর নতুন করে তাকে বোঝাতে হবেনা। সেদিন মধ্যরাতে বিছানা আলাদা হল। এখনো বাপের বাড়ির কেউ জানেনা। জানলে কী হত? হত কিছু? সে তো আর সন্তানের জন্ম দিতে পারছেনা। অন্তত নিজেকে নিয়ে সে যা খুশি করতে পারত। একটা অবলম্বন খুব প্রয়োজনীয় ছিল। সুনীলদার হাসি দেখে সেও বুঝতে পারে সুনীলদা তার কাছে কি চায়, সমিতির সিটের বিনিময়ে। টাকা মোনালিসা দিতে পারত। কিন্তু সুনীলদা আরও বেশি কিছু চায়।

তুমি কী যে করো মোনা, চলো দার্জিলিং ঘুরে আসি। কলকাতা যাচ্ছ বললেই তো হয়ে যায়। কিংবা শিলিগুড়িতে নেত্রী আসছেন।

মোনালিসা কোনো উত্তর দেয়নি। সুনীলদাও আর কথা বাড়ায়নি। অবশ্য লোকটা খুব খারাপ নয়। কোনোদিন আর দশটা পুরুষের মতো হাত চালায়নি শরীরের ওপর। বাসে ট্রেনে কাকা জ্যাঠা অনেকেই যেভাবে হাত চালানোর জন্য পাগল হয়ে ওঠে সবচেয়ে নরম জায়গায় ছোঁ মারতে চায়। সব পুরুষকেই তার চেনা হল। সমস্ত কিছু করার পরেও এই পাশের সিটের পুরুষটিকে সে ধরে রাখতে পারেনি। তাহলে?

মাঝেমধ্যে নিজেকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে মোনালিসা ভাবে তার বিয়াল্লিশ বছরের জীবনে সে কি এতটাই কুৎসিত! বাচ্চা এডাপ্ট করা যেত না? কিংবা এখন আইভিএফ টেস্টটিউব কত কিছু বেরিয়ে গেছে। এসব কেন ভাবেনি কাওসার? আসলে যে যাওয়ার তাকে যেন কোনোভাবেই আটকানো যায়না।

আবারও মোবাইলে ভাইব্রেশন শুরু হয়।

প্লিজ তুমি মোবাইলটাকে বন্ধ করো কাওসার! চেঁচিয়ে ওঠে মোনালিসা।

দাঁড়াও। মোবাইলটা হাতে নিয়ে বন্ধ করতে গিয়েও কাওসার চমকে ওঠে। কলকাতার ফোন। ফোনটা মোনালিসাকে দেয়।

শাহজাদ'দার ফোন কথা বলো।

হ্যাঁ। বলুন দাদা। আচ্ছা। আচ্ছা। আমি এই আলিপুরের দিকে। ঠিক আছে দাদা। ঠিক আছে। ফোন কেটে দেয় মোনালিসা।

শরীরটা শিথিল হয়ে আসে। একটা যুদ্ধে জেতার পরে যেরকম শরীর থিতিয়ে আসে। অর্গাজমের পরে যেভাবে মুখে চোখে তৃপ্তির হাসি ফোটে ওঠে সেরকম। জানালার দিকে তাকিয়ে শ্বাস ফেলে মোনালিসা।

কী হল?

হল অনেক কিছুই।

যেমন। কী বলল? শাহজাদদা?

সিলেক্টেড, মিস্টার কাওসার। এন্ড উড বি প্রেসিডেন্ট অফ মাদারীহাট পঞ্চায়েত সমিতি। মোনালিসা উত্তেজিত ভাবে উত্তর দেয়।

গ্রেট। কাওসার বলে। তাহলে কী করব এখন?

চলো আলিপুরে গিয়ে পার্টি অফিসে বসে নাটক করতে হবেনা? যে আমরা কিছুই জানিনা? মোনালিসার সপাটে উত্তর।

কিন্তু কুড়ি লাখ আর দশ লাখ অনেক বড় এমাউন্ট।

দশ লাখ তো চোরে মোরে খেয়ে নেবে। শাহজাদদা কুড়িই পেয়েছেন। আরকি!

চলো। ঘুরে আসি।

মাথাটা কেমন যেন হয়ে গেছিল। আজ অনেকটা ভালো ঘুম হবে। এত নাটকের পরে ক্লান্ত হয়ে উঠেছিল মোনালিসা। প্রীতির কিছু ব্যবস্থা করতে হবে। চূড়ান্ত কিছু ব্যবস্থা। হিংসাত্মক। ভয়ানক কিছু। আগে ইলেকশনের ঝামেলাটা বের হোক। আগেই ভুলভাল পদক্ষেপ হয়তো বিপদ ডেকে আনবে। একূল ওকূল দুটোই হারানোর পরিস্থিতি না তৈরি হয়। ধৈর্য, ধৈর্য ধরতে হবে মোনালিসা। নিজেকে প্রবোধ দেয় মোনালিসা। নিজেই নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরে। সে প্রত্যয়ী। জিততেই হবে।

দেবোত্তমের অবসরের আর তো বেশিদিন নেই। এবার রিটায়ার করে দিলে লেখাপড়া, সম্পাদনাই করবে। আর ঘুরবে। যতদূর দুচোখ যায়। ভারতবর্ষে আর কোথায় যাওয়া বাকি? অফবিট কোথাও। যেখানে নিজেকে নিয়ে মগ্ন থাকা যাবে। কোনো ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বা তীর্থে সে আর যাবেনা। ছোটবেলায় বাবা মার সঙ্গে পুরী যাওয়া হয়েছিল। আর একবার বন্ধুদের সঙ্গে কলকাতা যাওয়ার সময় দক্ষিণেশ্বর। আর কোনদিনই সে কোথাও যায়নি। অনেকে বলেছিল চল ঘুরে আসি কাশ্মীর। কাশ্মীর সে গেছে। হিমাচল গেছে কিন্তু না। ঈশ্বর ঈশ্বরের মতো থাকুন। তাকে ঘাঁটিয়ে লাভ নেই। যে ঈশ্বর মানুষে মানুষে বৈষম্য তৈরি করে সে কেমন ঈশ্বর। শুধু মুসলিম ঘরে পয়দা হলেই জান্নাত কনফার্ম? হিন্দু ঘরে জন্মালেই মোক্ষ। না। ঈশ্বর যদি থেকেও থাকেন তিনি হয়ত একজন নির্মম ডিক্টেটর। বর্তমান ইরান কিংবা প্রাচীন মোঙ্গল শাসকদের মতো ভয়াবহ। তার অন্যথা হলেই চাবুক নেমে আসে।

দেবোত্তম নাস্তিকও নয়। দেবোত্তম আসলে ঈশ্বর নিয়ে কোনদিন ভাবেইনি। প্রয়োজনই হয়নি। ধর্ম নিয়েও সে ভাবেনি। বাড়িতে পুজো হতো। এতটুকুই। দেবোত্তম শুনেছে মানুষ বয়সে এসে ঈশ্বর বিশ্বাসী হয়। অথচ তার কেন এলনা? এখন শুধু মনে হয় শেষের শুরু হয়ে গেছে।শুধু পাণ্ডুলিপিটার কথা মনে হয়। মনে হয় কিছু একটা যদি হতো। পাণ্ডুলিপিটার। আহা পাণ্ডুলিপি। ধূসর পাণ্ডুলিপি।। জীবনানন্দের কথা মনে পড়ে।

ধূসর পাণ্ডুলিপি। পাণ্ডুলিপি যা ধূসর হয়ে গেছে। বিবর্ণ। ধূসর কার গায়ের রং? পান্ডুলিপি যদি কোনো নারী হত তাহলে তার শাড়ির আঁচলে আঁকা থাকত কাঠগোলাপ। সে একদিন হতো স্কুলের দিদিমণি। কদমতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকত। ছাতা নিয়ে। অথবা দোমোহনি বাজারে, অথবা ময়নাগুড়ি বাইপাসে মোহিত নগরে। অথবা কামাখ্যাগুড়ির রোডের পাশে। বাড়ি ফিরত সন্ধ্যা করে। তার স্বামী তাকে বকতো না। সে সিন্থল বা লিরিল সাবানে স্নান করে উঠে আসত। তারপর টিভির বিজ্ঞাপনের মতো কাপড় ছেড়ে নিত।

তার বাথরুমে বালতির মধ্যে রেখে দিত ধূসর শাড়ি। তারপর হয়ত ঢলে আসা রোদে মেলে দিত সেই শাড়ি। কাঠগোলাপগুলো বিবর্ণ হয়ে যেত। একটা অদ্ভুত অক্সিমোরনের মতো বিবর্ণ অথচ উজ্জ্বল। ক্যামেরা ফোকাসড হতো নিতম্ব পর্যন্ত। তারপর তারে শুকানো শাড়ি। কাঠগোলাপের ওপর জুম করে একটা শট।

জীবনানন্দ বেঁচে থাকলে হয়তো স্ক্রিপ্ট লিখতেন। আর টালিগঞ্জের অলিগলি অথবা মুম্বাইয়ের ধারাভি বস্তির কোনো এক কোণে বসে রাম খেতে খেতে লিখতেন নাভির নেমে আসা ধূসর। কাঠগোলাপের ধূসর। সব চিন্তা এলোমেলো হয়ে যায় দেবোত্তমের। কম্পিউটার আর স্ক্রীনে চোখ রাখতে রাখতে সে বেরিয়ে আসে ঘর থেকে। ব্যালকনিতে দাঁড়ায়। ধূসর পাণ্ডুলিপি বইটা আবার টেবিল থেকে নিয়ে আসে। হটাৎ কেন জীবনানন্দ পড়তে ইচ্ছে হলো? দিন যেন আর কাটতে চাইছে না। অনেকদিন হলো কোথাও যাওয়া হয়নি। কোনো গল্প আসছে না মাথায়। পত্রিকায় সাড়া নেই তেমন। জলপাইগুড়িতে সব কি থিতিয়ে গেল। সুরজিৎ বসু। অবতামসী। শ্যামল সিংহ, দেবেশ রায়ের জলপাইগুড়ি নিঝুম হয়ে গেছে কি?

নির্বাক বন্ধ্যা? ফাতেমা স্কুলের সামনে দিয়ে হিজাব পরা মেয়েরা বেরিয়ে গেল। ওদের মুখগুলো দেখা গেলনা। মুখে মাস্ক। ধুলোবালিতে। কেউ কি ফতোয়া জারি করেছে ফুল ফুটবেনা। কেউ কবিতা লিখবেনা। কেউ লাস্যময়ী হাসি নিয়ে ব্যালকনিতে দাঁড়াবে না। প্রেমিকা তার প্রেমিকের কাঁধে মাথা রাখবেনা করলা নদীর মজে যাওয়া স্রোতের পাশে সিমেন্টের বেঞ্চে বসে?

ধূপগুড়ির এক কবি লিখেছেন শাবানা হোসেনের কথা। তার চশমা। তার কলেজের পাশে প্রজাপতি ওড়ে নাকি?

তারও আগে এক বেঁটে কবির কাছে নিস্ফল হবে এই কবিতা যাত্রা।অগ্রজের ভ্যালুলেস পকেট হাতড়ানো যার কাছে অপাংক্তেয় ব্যর্থতার নামান্তর। অথবা প্রেমিকাকে স্বপ্নে খুঁজে পেয়ে তার অপরূপ চোখ দুটো ছুয়ে দেখার অমোঘ আকর্ষণ! আর শেষমেশ স্বপ্নেও কিনা চশমা হয়ে দাঁড়াল প্রতিবন্ধক। এত এত কবি। কবিতা সবাই কেমন যেন। অন্যমন দাশগুপ্ত হারিয়ে গেলেন। অথবা দেবোত্তমই কি হারিয়ে যাচ্ছেন?

জীবনের কাছে দেবোত্তমের কোনো চাওয়া নেই। পাওয়া নেই। অনেক পেয়েছে সে। কলকাতার কবি সাহিত্যিকরা তার ছোঁয়া পেয়ে ধন্য হয়। আশি নব্বইয়ের কত কবি লেখক তার কাগজে লিখেছে। নাম করেছে। পরে মেইনস্ট্রিমে চলে গেছেন। যখন প্রথম পত্রিকা সে সম্পাদনা করে তখন সে হাইস্কুলে।

আরও কত কত ভাবনা এসে জড়িয়ে যায়। আজ বলে নয়। সন্ধ্যাগুলো বিবর্ণ হয়ে উঠছে কেন? কেন এই ধূসর পাণ্ডুলিপি তার অক্ষর শব্দ রং ছড়িয়ে দিয়েছে প্রিয় জলশহরে। ধূসর পাণ্ডুলিপি।।

ধূসর পাণ্ডুলিপি। নামটা কয়েকবার সে নিজে নিজে উচ্চারণ করে। বিড়ি ধরায় টান দেয়। স্যান্ডোগেঞ্জিতে একটা শার্ট চাপায়। জুতো পরে। বেরিয়ে আসে। শোভাকে এখন ডাকা যাবে না। শোভা পাশের রুমে নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। দেবোত্তম বেরিয়ে আসে। বেরিয়ে এসে হাঁটতে হাঁটতে মূল রাস্তায় ওঠে। কিশোরদা দাঁড়িয়ে আছে গোশালা মোড়ের কাছে। কিশোরদা উগ্র বামপন্থী রাজনীতি করেন। তবে ইদানীং নাকি শরীরের জন্য অবসর নিয়েছেন পার্টি থেকে। তিনি গল্প লেখেন এখন। যুবক বয়সে তিনিই কলেজে প্রথম এসে চে গ্যেভেরার ছবি আর ফিদেল কাস্ত্রোর মলাট সমন্বিত পার্টির বই হাতে ধরিয়ে দিয়েছিলেন দেবোত্তমের। এখন কিশোরদা রাতের আড্ডার পার্টনার। ঘন হয়ে দুজনে হাঁটতে হাঁটতে একটা ছোট দোকানে ঢোকেন। চট লাগানো চায়ের দোকানের মতো বিড়ি সিগারেট পানও বিক্রি হচ্ছে। ছেলেটার হাতে দুশো টাকা ধরিয়ে দিতেই কাগজে মোড়ানো চোলাইয়ের বোতল বের করে দিল। পাশের হোটেল থেকে আসবে চিকেন কষা।

দেবোত্তম চুমুক দিতে থাকে। দুটো গ্লাস পরস্পরের দিকে তাকিয়ে। অলীক ঠাট্টা তামাশা করতে করতে দুই বান্ধবী যেন এ ওর গায়ে ঢলে পড়ছে। হাসছে। ইয়ার্কি করছে। তাদের শরীরে শরীর ঠুকে যেতেই টুং টাং আওয়াজ আসছে। তারা নিমগ্ন ভরাট। নিজের খেয়ালে মগ্ন দুটো কাঁচের গ্লাস।

কিশোরদার মাথা টলে যাচ্ছে। তিনি কবিতা আবৃত্তি করছেন। অথচ দেবোত্তম কিছুই শুনতে পাচ্ছেনা। ঝেপে বৃষ্টি আসে। জলপাইগুড়ি ভিজতে শুরু করে। জ্ঞান হারানোর আগে দেবোত্তম শুনতে পায় কিশোরদা সুভাষ মুখোপাধ্যায় আবৃত্তি করছেন –

"বুঝলে মুখুজ্জে কিছুতেই কিছু নয়

যদি না কৃতকার্য হতে পারলে"

পরবর্তী পরিচ্ছেদ (৮ম পরিচ্ছেদ) আগামী শনিবার (০৭/১১/২৬) প্রকাশিত হবে।

ভাগ করুন

এখনও কোনও মন্তব্য নেই

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।